Wednesday, June 17, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ক্রিকেটার নাঈমকে পিটিয়ে থানায় নেওয়া সোর্সকে ৫ আগস্টের মামলায় গ্রেপ্তার

 ঘটনায় সিএমপির গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি কাজ করছে

আপডেট : ১৭ জুন ২০২৬, ০২:১৩ পিএম

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর করে থানায় নিয়ে হেনস্তার অভিযোগে করা মামলায় এখনো কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। যদিও ওই মামলায় পুলিশের এক সোর্স সোহেল হোসেন সরকার নামে এক আসামিকে অন্য মামলায় আটকের পর গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। 

জানা গেছে,  শনিবার (১৩ জুন) তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে খুলশী থানা পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে, ওইদিনই নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ এনে চট্টগ্রামের খুলশী থানায় একটি মামলা করেন তার ভাই সাব্বির আলম। 

এ মামলায় পুলিশের সোর্স সোহেল হোসেন সরকার ছাড়াও অন্য আসামিরা হলেন, খুলশী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, কনস্টেবল রাসেল চৌধুরী।

গত শুক্রবার রাতে একটি ফ্লাইটে করে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে নামেন ক্রিকেটার নাইম হাসান। ওইসময় তাকে পিটিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে এসআই শফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল রাসেল চৌধুরীকে খুলশী প্রত্যাহার করে দামপাড়া পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। পরে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে নাঈম হাসানকে মারধর করে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমানকেও প্রত্যাহার করা হয়।

সেখান থেকে অটোরিকশায় বাসার যাওয়ার পথে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার সময় লালখান বাজার এলাকায় পুলিশ অটোরিকশাটিকে থামার সংকেত দেয়। এরপর চালকের কাছ থেকে গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে নেয়।

পরে গাড়ি থেকে নামিয়ে নাঈম হাসানকে লাঠি ও পাইপ দিয়ে মারধর করেন খুলশী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম ও পুলিশের সোর্স সোহেল। একপর্যায়ে একটি অটোরিকশায় করে তাকে থানায় নেওয়া হয়। 

থানায় নেওয়ার পর সেখানেও তাকে হেনস্তা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন নাঈম হাসান। পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে তিনি থানা থেকে ছাড়া পান।

এ ঘটনায় সিএমপির গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি কাজ করছে। 

   

About

Popular Links

x