Friday, July 10, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সাঙ্গু, কুশিয়ারাসহ ৫ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে 

আপডেট : ১০ জুলাই ২০২৬, ০২:১৮ পিএম

উজানের ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে দেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাঁচটি নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজারে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টার তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বুলেটিন অনুযায়ী, দেশের ১২৭টি পানি পর্যবেক্ষণ স্টেশনের মধ্যে বর্তমানে নয়টি স্টেশনে পাঁচটি নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।

বান্দরবানে সাঙ্গু নদীর পানি বান্দরবান পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৫ সেন্টিমিটার এবং দোহাজারী পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই জেলার মাতামুহুরী নদীর পানি লামা পয়েন্টে ৪৭ সেন্টিমিটার এবং কক্সবাজারের চিরিঙ্গা পয়েন্টে ৩২ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে।

এছাড়া কুশিয়ারা নদীর পানি সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্টে ১৮ সেন্টিমিটার এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ১০ সেন্টিমিটার, মনু নদীর পানি মৌলভীবাজারের মনু রেলসেতু পয়েন্টে ৩৫ সেন্টিমিটার ও মৌলভীবাজার পয়েন্টে ৮০ সেন্টিমিটার এবং খোয়াই নদীর পানি হবিগঞ্জের বল্লা পয়েন্টে ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে।

অন্যদিকে তিস্তা নদীর ডালিয়া, কাউনিয়া ও তারাপুর পয়েন্ট, কুশিয়ারা নদীর শেরপুর পয়েন্ট, সুরমা নদীর কানাইঘাট, ছাতক ও সুনামগঞ্জ পয়েন্ট, সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা পয়েন্ট এবং ছোট ফেনী নদীর কোম্পানীগঞ্জ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে।

কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে ১০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। আর দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ২০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, দেশের ১২৭টি পর্যবেক্ষণ স্টেশনের মধ্যে ৭৯টিতে নদ-নদীর পানি বাড়ছে, ৪৩টিতে কমছে এবং পাঁচটিতে পানির স্তর অপরিবর্তিত রয়েছে।

   

About

Popular Links

x