জামালপুরে ১৬ বস্তায় ৯০০ কেজি ঘোড়ার মাংস বোঝাই পিকআপসহ পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ। এসব ঘোড়ার মাংস ঢাকার রেস্তোরাঁয় বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। জব্দ করা মাংস মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। এ সময় আটক পাঁচজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে সদর উপজেলার নরুন্দি ইউনিয়নের মিরাপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, চক্রটি রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় হোটেল-রেস্তোরাঁতে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করতো। এর আগে চারবার ঘোড়ার মাংস ঢাকায় নিয়ে বিক্রি করে তরা। ঢাকার বিভিন্ন এলাকার রেস্তোরাঁয় ওই মাংস প্রতি কেজি ৪০০ টাকায় বিক্রি করা হতো। এসব রেস্তোরাঁয় ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস হিসেবে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমান হোসেন আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঘোড়ার মাংস বিক্রেতা ও দুই ক্রেতাকে ৬ মাস এবং পিকআপ চালক ও হেলপারকে ২ মাসের কারাদণ্ডসহ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। এছাড়াও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঘোড়ার মাংস মাটিতে পুতে ফেলা হয়।
নরুন্দি থানার ইনচার্জ মো. নাজমুল হক জানান, রবিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার নরুন্দি ইউনিয়নের মিরাপুর এলাকা থেকে একটি পিকআপে করে ১৬ বস্তায় ৯০০ কেজি ঘোড়ার মাংস ঢাকায় বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় আটক করা হয়। এ সময় ঘোড়ার মাংস বিক্রেতা, ক্রেতা ও পরিবহনের অভিযোগে পাঁচজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
আটকরা হলেন—ঘোড়ার মাংস বিক্রেতা টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার শোলাকড়ি উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. হুমায়ুন (৪০), মাংসের ক্রেতা গোপালপুর উপজেলার চরদুবারকান্দি এলাকার আলফাজ (৪২) ও একই এলাকার মো. শহিদ(৩৫), পিকআপের চালক জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার হাইঞ্চারচর এলাকার মো. জুয়েল (২৬) এবং হেলপার শরিয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার মো. তাসির মিয়া (২৫)।



