Wednesday, August 26, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এবার জবানবন্দি দিলেন সিদ্ধার্থ-মুগ্ধর বন্ধু, মিলে যাচ্ছে আসামিদের বর্ণনা

মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের বন্ধু সীমান্ত দাস আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৮ পিএম

রংপুর নগরীতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের বন্ধু সীমান্ত দাস আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় রংপুরের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম সীমান্তের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পরিদর্শক জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তদন্ত কর্মকর্তা জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের বন্ধু সীমান্ত। মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর তার বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করা হয়। তবে সোমবার সীমান্তের মা অসুস্থ থাকায় তিনি আদালতে আসতে পারেননি। মঙ্গলবার বাবার সঙ্গে আদালতে এসে তিনি জবানবন্দি দেন।

জিন্নাত আলী জানান, হত্যাকাণ্ডের রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ সীমান্তের বাড়িতে গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে আদালতে জানিয়েছেন সীমান্ত। তার দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে গ্রেপ্তার দুই আসামির জবানবন্দির বেশ কিছু তথ্যেরও মিল পাওয়া গেছে।

এর আগে আসামিদের গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার আব্দুল মাবুদ জানিয়েছিলেন, হত্যাকাণ্ডের রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন।

এদিকে গ্রেপ্তার দুই আসামির ডোপ টেস্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে বুধবার তাদের ডোপ টেস্টের জন্য পাঠানো হবে।

হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণসহ এ ঘটনায় ওঠা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর তদন্তের মাধ্যমে বের করা হবে জানিয়ে জিন্নাত আলী বলেন, মানুষের মনে থাকা প্রশ্নগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে উত্তর খোঁজা হবে। মামলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এর আগে শনিবার রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে রংপুর কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন।

রোববার ভোরে মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা নিহত পরিবারের বাড়ির আশপাশের এলাকার বাসিন্দা ও পরস্পরের আত্মীয়। ওই দিনই তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

প্রথমে মামলাটির তদন্তভার ছিল কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জির ওপর। পরে সোমবার মামলাটির তদন্তভার কোতোয়ালি থানা পুলিশ থেকে মহানগর ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়। এরপর ডিবির পরিদর্শক জিন্নাত আলীকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা করা হয়।

   

About

Popular Links

x