Thursday, September 03, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

তিস্তার বাঁধে ধস, বিপদের মুখে ৬ গ্রামের ২০ হাজার মানুষ

তীব্র স্রোতে ক্রসবাঁধের ৪০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে

আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৯ পিএম

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বুড়িরহাট এলাকায় তিস্তা নদীর তীব্র স্রোতে একটি ক্রসবাঁধের প্রায় ৪০ মিটার অংশ ধসে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এর ফলে উপজেলার অন্তত ছয়টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ পড়েছেন ঝুঁকির মুখে। হুমকির মধ্যে রয়েছে স্থানীয় পাঁচটি বাজারও।

জানা গেছে, বুড়িরহাট এলাকায় ক্রসবাঁধের উত্তর অংশে হঠাৎ ভাঙন শুরু হলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই বাঁধের একটি বড় অংশ নদীতে ধসে পড়ে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বাঁধটি পুরোপুরি ভেঙে গেলে বড়দরগা, বুড়িরহাট, রামহরি, চতুরা, কালিরমেলা ডাংরারহাট গ্রামের বসতভিটা, ফসলি জমি এবং অন্তত পাঁচটি বাজার প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

স্থানীয়দের ধারণা, নদীর তলদেশে তীব্র স্রোতের কারণে বালু-মাটি সরে গিয়েই এই ভাঙন ধস তৈরি হয়েছে। বর্তমানে ভাঙন সাময়িকভাবে থেমে থাকলেও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে প্রায় ৩০ হাজার জিও ব্যাগ ফেলে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ জানান, প্রতি এক-দুই বছর পরপরই নদীভাঙনে বাঁধটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তখন সাময়িকভাবে জিও ব্যাগ দিয়ে সংস্কার করা হয়। তবে স্থায়ী সমাধান না হলে এই সমস্যা বারবার ফিরে আসবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মামুন বলেন, “তিস্তার ভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।“

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, বুড়িরহাট স্পার এলাকায় হঠাৎ ভাঙনের খবর পাওয়ার পরপরই পাউবোর কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু করা হয়েছে।

   

About

Popular Links

x