আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অবৈধ মালামাল পরিবহন এবং ছিনতাই প্রতিরোধে যশোরে ৪৩টি স্থানে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ৩৪টি অবৈধ মোটরসাইকেল জব্দ এবং ১২টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এ সময় চাকুসহ তিনজন কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার রাতে জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মিরাজুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, যশোর জেলার নয়টি থানা, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও ট্রাফিক পুলিশ যৌথভাবে ৪৩টি স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায়। শহরের মণিহার, ধর্মতলা, দড়াটানা, নিউমার্কেট ও হাইকোর্ট মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রবেশপথে এসব চেকপোস্ট বসানো হয়।
অভিযান চলাকালে বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হয়। পাশাপাশি সন্দেহজনক ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়। পুলিশ জানায়, ৪৩টি চেকপোস্টে ১ হাজার ৭০০টির বেশি মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার তল্লাশি করা হয়েছে।
বিশেষ করে রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল শনাক্ত, বৈধ কাগজপত্র যাচাই এবং যানবাহনের মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্র, মাদক বা অন্যান্য অপরাধমূলক সামগ্রী পরিবহন করা হচ্ছে কি না সেদিকে নজর দেওয়া হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম বলেন, “পুরো যশোর জেলাজুড়েই পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে। এটি একদিনের অভিযান নয়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার জেলার নয়টি থানা, ডিবি ও ট্রাফিক বিভাগের যৌথ সহায়তায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হয়েছে।“
তিনি আরও বলেন, “এর আগে গত পরশুদিনও জেলাজুড়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ১৫৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।“



