নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দম্পতিসহ ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কাঁচপুর সোনাপুর উত্তরপাড়া শাহ আলম মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন, বাড়ির ভাড়াটিয়া রোজিনা আক্তার (৩৫),স্বামী শরীফ হোসেন, রোজিনার ভাই রিয়াজ হোসেন (২২), ভাড়াটিয়া রনি মিয়া (১৯)। এদের মধ্যে রোজিনা আক্তারের শরীরের ৬০%, শরিফ মিয়া ও রিয়াজ হোসেনের ৪০% ও রনি মিয়ার শরীরের ৭০% দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধ শরীফ মিয়া ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার গড়া এলাকার আলাউদ্দিনের ছেলে।
রিয়াজ কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার কালামপুর এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। তবে আরেক দগ্ধ রনির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জানা যায়, কাঁচপুর সোনাপুর উত্তরপাড়া গ্রামের শাহ আলম মিয়ার ৬ তলায় ভবনের দ্বিতীয় তলায় একটি কক্ষে রাত দেড়টার দিকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। পরে প্রতিবেশীরা শব্দ পেয়ে ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যায়।
প্রতিবেশী লতিফা বেগম বলেন, “রাতের বিকট শব্দ ও কান্নার শব্দে তাদের ঘুম ভেঙ্গে যায়। বিস্ফোরণের সময় পুরো ভবন কেঁপে উঠে। পরে তারাসহ এলাকার লোকজন গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন। রান্নাঘরে গ্যাস লিকেজ থেকে তাদের শরীরে আগুন ধরে যায়। এসময় ৪ জনের শরীর পুড়ে যায়। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।”
রবিবার সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের রেসিডেন্ট সার্জন (ইমার্জেন্সি) ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার বলেন, “দগ্ধ চারজনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনার পর তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে। দগ্ধদের ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।”
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, “কাঁচপুর গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪ জনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।”



