Friday, November 06, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে কিছু কারখানা খোলা

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন পোশাক শ্রমিকরা

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৮ পিএম

ঢাকার সাভারের আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও চালু রয়েছে ৮৮ পোশাক কারখানা। পুরো এলাকায় পরিস্থিতিও রয়েছে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। বিভিন্ন স্থানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে শিল্প পুলিশের সদস্যরা।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল থেকে উপজেলার সাভারের হেমায়েতপুর, সাভার, আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে এসব পরিস্থিতি দেখা যায়।

শিল্প পুলিশ জানায়, স্বাভাবিক সময়েও ছুটির দিনে কোনো কোনো কারখানা খোলা রাখা হয়। বিশেষ করে যাদের জরুরি শিপমেন্ট থাকে তাদের অনেকেই কারখানা খোলা রাখে। একইভাবে আজও ছুটির দিনে ৮৮টি কারখানা খোলা রয়েছে। এসব কারখানায় সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন। কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

শিল্পাঞ্চল পুলিশ ১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোয়েব আহম্মেদ বলেন, “পরিস্থিতি সব স্বাভাবিক রয়েছে। এমনিতে শুক্রবার ছুটির দিনে কারখানা বন্ধ থাকে। তবে যাদের জরুরি প্রয়োজন থাকে, তারা কারখানা চালু রাখেন। এরকমই ৮৮টি কারখানা চালু রয়েছে। পুরো এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রয়েছে।”

শিল্পাঞ্চল পুলিশ ১-এর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “আজ সকাল থেকে পুরো শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিক। জরুরি প্রয়োজন রয়েছে এমন ৮৮টি পোশাক কারখানা চালু রয়েছে। এসব কারখানায় শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। পুলিশ সদস্যরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।”

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইন বিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু বলেন, “স্বাভাবিক সময়েও কিছু কারখানা ছুটির দিনে চালু থাকে নানা জরুরি প্রয়োজনে। আমরা ইতোমধ্যে শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিতে আহ্বান জানিয়েছি। শিল্পাঞ্চলে গতকাল থেকেই একধরনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছিল। পুরোদমে কাজ শুরু হলেও পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।”

তিনি বলেন, “মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এখন মজুরি নিয়ে শ্রমিকদের দাবি ও অসন্তোষ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় শ্রমিকদের আপাতত কর্মস্থলে ফিরে উৎপাদন সচল রাখা প্রয়োজন। তবে শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হলে কাজে ফেরা কঠিন হবে। তাই শ্রমিকদের বাড়িতে গিয়ে পুলিশি তল্লাশি বা হয়রানির অভিযোগের মতো পরিস্থিতি বন্ধ করে তাদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।”

   

About

Popular Links

x