Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

চসিকের উন্নয়নে একনেকে ২৪৯০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় বন্দর নগরী চট্টগ্রামে মেট্রোরেল করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০২২, ০৪:৪৮ পিএম

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) যানজট নিরসন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নে দুই হাজার ৪৯০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। এ ছাড়া এ সভায় আরও ৯টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) একনেক চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভায় প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষ থেকে যোগ দেন। সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

তিনি বলেন, “আজকের সভায় সাতটি সংশোধিতসহ ১০টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং প্রকল্পগুলোর মোট আনুমানিক ব্যয় ১১ হাজার ২১১ দশমিক ৪৪ কোটি টাকা।” এত প্রকল্প সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে কিছু বাস্তবিক সমস্যা রয়েছে যা প্রজেক্ট বাস্তবায়নে বিলম্ব করছে।”

সমস্যার বর্ণনা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশে প্রকল্প সংশোধনের পেছনের কোভিড-১৯ মহামারি, প্রকল্প সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি, জমি অধিগ্রহণ জটিলতা ও বিদেশি তহবিল ছাড়ে বিলম্ব, এসব কারণ রয়েছে। ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অধীনে বিমানবন্দর সড়কসহ বিভিন্ন সড়কের উন্নয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।”

তিনি বলেন, “বর্তমান মেয়র নির্বাচিত হওয়ার সময় থেকে এটি একটি বৃহৎ প্রকল্প। প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী বন্দরনগরীর উন্নয়ন কাজের জন্য প্রয়াত মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর প্রশংসা করেন।”

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মেট্রোরেল শুধু ঢাকাতে কেন থাকবে, চট্টগ্রামের জন্যও মেট্রোরেল প্রকল্প নিতে হবে। যেসব শহরের সঙ্গে এয়ারপোর্ট আছে, সেসব শহরে পর্যায়ক্রমে সংযুক্ত করে প্রকল্প নিতে হবে। অন্যান্য শহরগুলোতে মেট্রোরেল করতে না পারলেও মেট্রোরেলের মতো অন্য সার্ভিস চালু করতে হবে।”

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় প্রদত্ত প্রকল্পের তথ্যপত্র অনুসারে, এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যে যানজট দূর করা, শহরের বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়ন করে মানুষের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন, ফুট-ওভার ব্রিজ নির্মাণের মাধ্যমে পথচারীদের নিরাপদ সড়ক পারাপার নিশ্চিত করা এবং বন্দর নগরীর সৌন্দর্য ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন।

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ৭৬৯ কিলোমিটার রাস্তার উন্নয়ন, বিমানবন্দর সড়কে ৬০০ মিটার ওভারপাস নির্মাণ, ৩৮টি ফুট ওভার ব্রিজ, ১৪টি সেতু ও ২২টি কালভার্ট নির্মাণ।

About

Popular Links