অনুমোদন পাওয়ার ছয় বছর পার হলেও এখনও নির্মাণকাজ শুরু হয়নি গুরুত্বপূর্ণ এই মেগা প্রকল্পের
রামপুরা এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকা ট্রিবিউন
সোহেল মামুন
প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২২, ০৪:১৬ পিএমআপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০২২, ০৬:৫৫ পিএম
সরকারের অনুমোদন পাওয়ার ছয় বছর পার হলেও এখনও রাজধানীর রামপুরা এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়নি।
ছয় বছর পর এ বিষয়ে রবিবার (৯ জানুয়ারি) কনসোর্টিয়াম অব চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড এবং চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশনের (সিসিসিএল-সিআরবিসি) সঙ্গে একটি চুক্তি সই করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।
জানা গেছে, এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে চীনা কনসোর্টিয়ামের চার বছর সময় লাগবে।
পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্রকল্পের লক্ষ্য, রাজধানীর যানজট কমাতে হাতিরঝিল-রামপুরা-বনশ্রী-আমুলিয়া-ডেমরা মহাসড়ককে চার লেনের এক্সপ্রেসওয়েতে উন্নীত করা।
প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে বিলম্ব হলেও ২০২৫ সালের মধ্যে এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শেষ হবে বলে আশাবাদী সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।
তবে, দেশে ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত অনুরূপ পিপিপি প্রকল্পগুলোর ধীরগতিকে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে পরিবহন বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এই সময়কাল আরও দীর্ঘ হতে পারে।
বিশিষ্ট পরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল হক বলেন, “রামপুরা এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে এত বিলম্বের মূল কারণ সওজের অদক্ষতা ও দুর্নীতি। যেহেতু এটি একটি পিপিপি প্রকল্প এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও এই প্রকল্পে জড়িত, তাই কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে আরও স্বচ্ছ হওয়া উচিত। অপ্রত্যাশিত বিলম্ব সবসময় বিনিয়োগকারীদের নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।”
তিনি ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “সরকারি কর্তৃপক্ষ যখন অপ্রত্যাশিত সময় নেয়, তখন নিযুক্ত নির্মাতা প্রতিষ্ঠানও প্রকল্পটি বাস্তবায়নে অনাগ্রহী হয়ে ওঠে।”
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এনামুল হক বলেন, “সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পিপিপি প্রকল্পগুলো বিনিয়োগকারীদের কাছে বেশি জনপ্রিয় হওয়ার কারণে অবশেষে গতি পেয়েছে।”
“২০০৯-১০ অর্থবছরে যখন পিপিপি সিস্টেম শুরু হয়েছিল, তখন এটি খুব বেশি জনপ্রিয় ছিল না। আজকাল, অনেক বিনিয়োগকারী পিপিপির মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নে আগ্রহী,” তিনি বলেন।
পিপিপি অথরিটি বাংলাদেশের সিইও সুলতানা আফরোজ বলেন, “এটি আমাদের সাফল্য যে আমরা ইতোমধ্যেই কিছু বড় অবকাঠামো প্রকল্প পিপিপির মাধ্যমে বাস্তবায়নের জন্য চুক্তি সই করেছি। এখন সমস্ত প্রকল্প দ্রুত এগিয়ে চলেছে। উদাহরণস্বরূপ- ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের একটি অংশ এই বছরের মধ্যে খুলে দেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, রামপুরা এক্সপ্রেসওয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে তৃতীয় পিপিপি প্রকল্প। ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ছিল সেতু বিভাগের অধীনে পিপিপির প্রথম প্রকল্প। প্রকল্পটি ২০১১ সালের ২০ জুলাই অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন পেয়েছিল এবং ২০১৪ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে, প্রকল্পের অগ্রগতি এখনও অর্ধেকও হয়নি।
পিপিপি'র দ্বিতীয় প্রকল্প হলো ৪৮ কিলোমিটার ঢাকা বাইপাস রোডকে ডুয়েল ক্যারেজওয়েতে উন্নীত করা। কাজটি ২০১৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হয়েছিল। ২০২২ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রকল্পের অগ্রগতি ১০%-এর নিচে হওয়ায় সময়সীমা দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৪ সাল পর্যন্ত করতে চায় সওজ।
পিপিপি কর্তৃপক্ষের মতে, প্রথম এবং দ্বিতীয় প্রকল্পগুলো সময়সীমার অনেক পিছিয়ে রয়েছে৷
টেন্ডার প্রক্রিয়ায় বিভ্রান্তি
সরকার ২০১৫ সালে রামপুরা এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প শুরু করে। অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ২০১৬ সালের ২৬ জানুয়ারি প্রকল্পটির নীতিগত অনুমোদন দেয়।
এরপর, ২০১৮ সালের ১ জুলাই তিনটি চীনা কোম্পানি এবং একটি ভারতীয় কোম্পানিকে সওজের প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন কমিটির কাছে প্রস্তাবের জন্য বাছাই করা হয়েছিল।
এই কমিটি সিসিসিসিএল-সিআরবিসি নির্বাচনও করেছে, যদিও কনসোর্টিয়াম সর্বনিম্ন দরদাতা ছিল না। ফলস্বরূপ, পিপিপি কর্তৃপক্ষ একটি পর্যালোচনা প্যানেল গঠন করে যা কিছু অসঙ্গতি সংশোধনের সুপারিশ করেছিল।
এরপর প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে সিসিসিসিএল-সিআরবিসি-কে নির্বাচন করে এবং পর্যালোচনা প্যানেলের উদ্বেগগুলোর সমাধান না করেই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভা কমিটির কাছে পাঠিয়ে দেয় সওজ। পরে, মন্ত্রিসভা সওজকে প্রকল্পটি ফেরত পাঠায় এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের পর অবশেষে চুক্তি সই হয়।
এই সব করতেই তিন বছরের বেশি সময় লেগেছে।
চুক্তি অনুযায়ী, নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি পুরো নির্মাণ ব্যয়ের প্রায় ২,০৯৪ কোটি টাকা বহন করবে এবং ২৫ বছরের জন্য মহাসড়কের টোল থেকে অর্থ পাবে।
অন্যদিকে, সরকার জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন, পরামর্শ পরিষেবা এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিটের ব্যয়ের জন্য ১,২০৯ কোটি টাকা বহন করবে।
জানা গেছে, প্রকল্প এলাকায় বসবাসকারীদের পুনর্বাসনের জন্য সওজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেনি বলে ভূমি অধিগ্রহণ এখনও সম্পূর্ণ হয়নি।
সওজের সুপারিন্টেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার নূর-ই-আলম বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে জমি অধিগ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকদের কাছে একটি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি। আশা করছি, শিগগিরই শুরু হবে।”
প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, হাতিরঝিল-রামপুরা-বনশ্রী-আমুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেসওয়েটি ১৩.৫ কিলোমিটার চার লেন-নিয়ন্ত্রিত অ্যাক্সেস টোল হাইওয়ে। যার মধ্যে ৯.৪ কিলোমিটার এলিভেটেড সেকশন, যেটি হাতিরঝিলের রামপুরা পয়েন্ট থেকে জাতীয় মহাসড়ক এন ওয়ান (চট্টগ্রাম রোড)এবং জাতীয় মহাসড়ক এন টু (সিলেট রোড) বিস্তৃত।
২০২৫ সালে প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার যানবাহন হাইওয়েটি ব্যবহার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মেগা প্রকল্পPowered by Froala Editor
খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে এগোচ্ছে রামপুরা এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ
অনুমোদন পাওয়ার ছয় বছর পার হলেও এখনও নির্মাণকাজ শুরু হয়নি গুরুত্বপূর্ণ এই মেগা প্রকল্পের
সরকারের অনুমোদন পাওয়ার ছয় বছর পার হলেও এখনও রাজধানীর রামপুরা এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়নি।
ছয় বছর পর এ বিষয়ে রবিবার (৯ জানুয়ারি) কনসোর্টিয়াম অব চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড এবং চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশনের (সিসিসিএল-সিআরবিসি) সঙ্গে একটি চুক্তি সই করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।
জানা গেছে, এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে চীনা কনসোর্টিয়ামের চার বছর সময় লাগবে।
পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্রকল্পের লক্ষ্য, রাজধানীর যানজট কমাতে হাতিরঝিল-রামপুরা-বনশ্রী-আমুলিয়া-ডেমরা মহাসড়ককে চার লেনের এক্সপ্রেসওয়েতে উন্নীত করা।
প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে বিলম্ব হলেও ২০২৫ সালের মধ্যে এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শেষ হবে বলে আশাবাদী সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।
তবে, দেশে ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত অনুরূপ পিপিপি প্রকল্পগুলোর ধীরগতিকে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে পরিবহন বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এই সময়কাল আরও দীর্ঘ হতে পারে।
বিশিষ্ট পরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল হক বলেন, “রামপুরা এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে এত বিলম্বের মূল কারণ সওজের অদক্ষতা ও দুর্নীতি। যেহেতু এটি একটি পিপিপি প্রকল্প এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও এই প্রকল্পে জড়িত, তাই কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে আরও স্বচ্ছ হওয়া উচিত। অপ্রত্যাশিত বিলম্ব সবসময় বিনিয়োগকারীদের নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।”
তিনি ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “সরকারি কর্তৃপক্ষ যখন অপ্রত্যাশিত সময় নেয়, তখন নিযুক্ত নির্মাতা প্রতিষ্ঠানও প্রকল্পটি বাস্তবায়নে অনাগ্রহী হয়ে ওঠে।”
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এনামুল হক বলেন, “সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পিপিপি প্রকল্পগুলো বিনিয়োগকারীদের কাছে বেশি জনপ্রিয় হওয়ার কারণে অবশেষে গতি পেয়েছে।”
“২০০৯-১০ অর্থবছরে যখন পিপিপি সিস্টেম শুরু হয়েছিল, তখন এটি খুব বেশি জনপ্রিয় ছিল না। আজকাল, অনেক বিনিয়োগকারী পিপিপির মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নে আগ্রহী,” তিনি বলেন।
পিপিপি অথরিটি বাংলাদেশের সিইও সুলতানা আফরোজ বলেন, “এটি আমাদের সাফল্য যে আমরা ইতোমধ্যেই কিছু বড় অবকাঠামো প্রকল্প পিপিপির মাধ্যমে বাস্তবায়নের জন্য চুক্তি সই করেছি। এখন সমস্ত প্রকল্প দ্রুত এগিয়ে চলেছে। উদাহরণস্বরূপ- ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের একটি অংশ এই বছরের মধ্যে খুলে দেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, রামপুরা এক্সপ্রেসওয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে তৃতীয় পিপিপি প্রকল্প। ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ছিল সেতু বিভাগের অধীনে পিপিপির প্রথম প্রকল্প। প্রকল্পটি ২০১১ সালের ২০ জুলাই অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন পেয়েছিল এবং ২০১৪ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে, প্রকল্পের অগ্রগতি এখনও অর্ধেকও হয়নি।
পিপিপি'র দ্বিতীয় প্রকল্প হলো ৪৮ কিলোমিটার ঢাকা বাইপাস রোডকে ডুয়েল ক্যারেজওয়েতে উন্নীত করা। কাজটি ২০১৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হয়েছিল। ২০২২ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রকল্পের অগ্রগতি ১০%-এর নিচে হওয়ায় সময়সীমা দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৪ সাল পর্যন্ত করতে চায় সওজ।
পিপিপি কর্তৃপক্ষের মতে, প্রথম এবং দ্বিতীয় প্রকল্পগুলো সময়সীমার অনেক পিছিয়ে রয়েছে৷
টেন্ডার প্রক্রিয়ায় বিভ্রান্তি
সরকার ২০১৫ সালে রামপুরা এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প শুরু করে। অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ২০১৬ সালের ২৬ জানুয়ারি প্রকল্পটির নীতিগত অনুমোদন দেয়।
এরপর, ২০১৮ সালের ১ জুলাই তিনটি চীনা কোম্পানি এবং একটি ভারতীয় কোম্পানিকে সওজের প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন কমিটির কাছে প্রস্তাবের জন্য বাছাই করা হয়েছিল।
এই কমিটি সিসিসিসিএল-সিআরবিসি নির্বাচনও করেছে, যদিও কনসোর্টিয়াম সর্বনিম্ন দরদাতা ছিল না। ফলস্বরূপ, পিপিপি কর্তৃপক্ষ একটি পর্যালোচনা প্যানেল গঠন করে যা কিছু অসঙ্গতি সংশোধনের সুপারিশ করেছিল।
এরপর প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে সিসিসিসিএল-সিআরবিসি-কে নির্বাচন করে এবং পর্যালোচনা প্যানেলের উদ্বেগগুলোর সমাধান না করেই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভা কমিটির কাছে পাঠিয়ে দেয় সওজ। পরে, মন্ত্রিসভা সওজকে প্রকল্পটি ফেরত পাঠায় এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের পর অবশেষে চুক্তি সই হয়।
এই সব করতেই তিন বছরের বেশি সময় লেগেছে।
চুক্তি অনুযায়ী, নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি পুরো নির্মাণ ব্যয়ের প্রায় ২,০৯৪ কোটি টাকা বহন করবে এবং ২৫ বছরের জন্য মহাসড়কের টোল থেকে অর্থ পাবে।
অন্যদিকে, সরকার জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন, পরামর্শ পরিষেবা এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিটের ব্যয়ের জন্য ১,২০৯ কোটি টাকা বহন করবে।
জানা গেছে, প্রকল্প এলাকায় বসবাসকারীদের পুনর্বাসনের জন্য সওজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেনি বলে ভূমি অধিগ্রহণ এখনও সম্পূর্ণ হয়নি।
সওজের সুপারিন্টেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার নূর-ই-আলম বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে জমি অধিগ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকদের কাছে একটি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি। আশা করছি, শিগগিরই শুরু হবে।”
প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, হাতিরঝিল-রামপুরা-বনশ্রী-আমুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেসওয়েটি ১৩.৫ কিলোমিটার চার লেন-নিয়ন্ত্রিত অ্যাক্সেস টোল হাইওয়ে। যার মধ্যে ৯.৪ কিলোমিটার এলিভেটেড সেকশন, যেটি হাতিরঝিলের রামপুরা পয়েন্ট থেকে জাতীয় মহাসড়ক এন ওয়ান (চট্টগ্রাম রোড)এবং জাতীয় মহাসড়ক এন টু (সিলেট রোড) বিস্তৃত।
২০২৫ সালে প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার যানবাহন হাইওয়েটি ব্যবহার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিষয়: