Saturday, June 20, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মৌসুম শেষে দুবলাসহ ৫ চর ছাড়ছেন জেলেরা

এরই মধ্যে চরের অস্থায়ী ঘর, শুঁটকি মাচা, শুঁটকি সংরক্ষণের ঘর গুটিয়ে ফেলতে শুরু করেছেন জেলে-মহাজনরা

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২২, ১১:০৮ এএম

প্রায় শেষের পথে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের দুবলার চরের পাঁচ মাসের অস্থায়ী পল্লীর শুঁটকি প্রক্রিয়াজতের মৌসুম। তাই, এরই মধ্যে চরের অস্থায়ী ঘর, শুঁটকি মাচা, শুঁটকি সংরক্ষণের ঘর গুটিয়ে চর ছাড়তে শুরু করেছেন জেলে-মহাজনরা।

বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) বাড়ি ফেরার প্রথম যাত্রা শুরু করেছেন শুঁটকি উৎপাদনকারীরা।

বন বিভাগ জানিয়েছে, প্রথম যাত্রায় আলোরকোল, মাঝের কিল্লা, নারকেলবাড়িয়া, মেহের আলীর চর, শ্যালার চরসহ পাঁচটি চর থেকে চার শতাধিক ট্রলার ছেড়ে গেছে। একেকটি ট্রলারে ১০-১২ জন করে জেলে রয়েছেন। প্রায় পাঁচ হাজার জেলে চর ছেড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আলোরকোল শুঁটকি পল্লীর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ফরেস্টার) দিলীপ মজুমদার জানান, শুঁটকি উৎপাদনের সবচেয়ে বড় চর হচ্ছে আলোরকোল। এখানে শুঁটকি সংরক্ষণ ও  বসতঘর হিসেবে ব্যবহৃত ৭৭৬টি ঘর রয়েছে। জেলে ও মহাজন মিলিয়ে রয়েছেন ৮ হাজার ৩০০ জন। যাদের মধ্যে থেকে একদিনেই ৩ শতাধিক জেলে চলে গেছেন। বাকিরাও ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

দুবলার জেলে পল্লী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রহ্লাদ চন্দ্র রায় জানান, মৌসুম শেষ হতে আর কয়েকদিন বাকি। ৩১ মার্চের মধ্যে প্রতিটি চর থেকে জেলে-মহাজনরা চলে যাবেন। বৃহস্পতিবার প্রথম দিনে ৫ হাজারের মতো জেলে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

প্রহ্লাদ চন্দ্র রায় আরও জানান, মৌসুম শেষ হলেও ব্যবসায়িক হিসাব শেষ হয়নি মহাজনদের। এ কারণে শুঁটকির উৎপাদন ও রাজস্বের পরিমাণ এখন পর্যন্ত হিসেব করা সম্ভব হয়নি। সঠিক হিসেব পেতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর ১ নভেম্বর থেকে শুরু হয় পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চর জেলে পল্লীর আওতাধীন পাঁচটি চরে শুঁটকি উৎপাদন। চলে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। এ বছর জেলে, মহাজন ও অন্যান্য ব্যবসায়ী মিলিয়ে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ অবস্থান করেছে পাঁচটি চরে। এ জন্য বন বিভাগ থেকে জেলে ও মহাজনদের থাকার জন্য ৯৮৫টি অস্থায়ী ঘর এবং ৬৬টি ডিপো ঘরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

   

About

Popular Links

x