ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় এক ভিক্ষুককে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় হায়দার মোল্যা (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৫ আগস্ট) রাতে সালথা থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
হায়দার মোল্যা সালথা উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান রুপা বেগমের স্বামী।
মামলার এজাহার সুত্র জানা যায়, আব্দুর রহমান নামের এক ভিক্ষুককে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ২৫ হাজার ৫'শ টাকা নেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের স্বামী হায়দার মোল্যা। কিন্তু টাকা নিয়েও ভিক্ষুকের নামে ঘর বরাদ্দ দিতে পারেনি। পরে সেই টাকা চাইতে গেলে ওই ভিক্ষুককে বিভিন্ন সময়ে হুমকি-ধমকি দেন হায়দার মোল্যা ও তার ভাই।
এছাড়া উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান রুপা বেগমও বিভিন্ন লোকজন দিয়ে হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ ভুক্তভোগী ভিক্ষুকের পরিবারের।
এ ঘটনায় সালথা থানায় সোমবার সন্ধ্যায় চাঁদাবাজি ও হুমকিধামকির অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন ভিক্ষুক আব্দুর রহমান। এজাহারে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুপা বেগমের স্বামী হায়দার মোল্যা ও ভাইস চেয়ারম্যানের ভাই মোকাদ্দেস মাতুব্বরকে আসামি করা হয়। পরে হায়দার মোল্যাকে গ্রেপ্তার করে সালথা থানা পুলিশ।
ভাইস চেয়ারম্যান রুপা বেগমের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শেখ সাদিক বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,“ উপজেলার কুমারপট্টি এলাকার আব্দুর রহমান নামের এক ভিক্ষুকের কাছে থেকে প্রধানমন্ত্রীর ঘর পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়া ও তাকে হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগে সালথা থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন ওই ভিক্ষুক। পরে হায়দার মোল্যা নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কাজ করছে।”



