Saturday, May 18, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পর্দা নামলো আঞ্চলিক আর্ট ও চলচ্চিত্র উৎসব রিইনকার্নেট-৩’র

২০২৫ সালে আবার বসবে রিইনকার্নেট-৪’র আসর

আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২৩, ১১:১৫ পিএম

ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া শিল্পীদের বর্ণাঢ্য ফ্যাশন শো ও একসঙ্গে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ের মাধ্যমে শেষ হয়েছে তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক আর্ট ও চলচ্চিত্র উৎসব রিইনকার্নেট-৩। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বন্ধু সোশ্যাল ওয়েল ফেয়ার সোসাইটি (বন্ধু)।

শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহীম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়  উৎসবের সমাপনী।

সমাপনী অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া শিল্পীদের অংশগ্রহণে ফ্যাশন শো “এগিয়ে চলো”।

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের অন্যতম শর্ত- “কেউ পিছিয়ে থাকবে না”। এ স্লোগানকে সামনে রেখে দেশকে এগিয়ে নিতে পিছুপা হবে না  ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া জনগোষ্ঠী। শিক্ষা, শিল্প, কর্মে যোগ্য হয়ে এগিয়ে যাবে তারা। তবে, তার জন্য চাই সামাজিক সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। এই বিষয়গুলোই ফ্যাশন শোর মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন মডেল, অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ।

সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইউউ) রাষ্ট্রদূত ও ডেলিগেশন প্রধান চার্লস হোয়াইটলে, ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রদীপ্তা রায় এবং নেপালের মানবাধিকারকর্মী শেরচান নবিন সিমরান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া জনগোষ্ঠীর প্রতি যে বৈষম্য ও নিপীড়ন হয় তা তুলে ধরার অন্যতম মাধ্যম হলো শিল্প, সাহিত্য ও চলচ্চিত্র। এই মাধ্যমই তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে জোরালো আওয়াজ তোলা সম্ভব।”

তাই আরও বেশি চলচ্চিত্র নির্মাণ, শিল্প ও সাহিত্য রচনার প্রতি জোর দেন তারা। এই রকম আয়োজনের জন্য ‘বন্ধু'র প্রশংসা করে তারা বলেন, এ ধরনের উৎসব আয়োজন ও সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া দরকার।

এর আগে ১৮ জানুয়ারি বন্ধু সোশ্যাল ওয়েল ফেয়ার সোসাইটি (বন্ধু) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এ উৎসব উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

আয়োজকরা জানান, এই আয়োজনের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো শৈল্পিক মাধ্যমে ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবন সংগ্রাম তুলে ধরে সামাজিক সচেতনতা ও গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করা। পাশাপাশি এই জনগোষ্ঠীকে সৃজনশীল চর্চায় সম্পৃক্ত রাখা এবং মত প্রকাশের জন্য একটি  নিরাপদ অবস্থান তৈরি করা।

এবারের উৎসবে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ৬টি দেশের ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া জনগোষ্ঠী নিয়ে নির্মিত ২৫টি চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। পাশাপাশি ২৫টি শিল্পকর্মের একটি তিন দিনের চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এর সঙ্গে প্রতিদিন ছিল ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়া শিল্পীদের অংশগ্রহণে নানা আয়োজন।

২০২৫ সালে আবার বসবে রিইনকার্নেট-৪'র আসর।

About

Popular Links