খুলনা ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সোমবার (১২ জুন) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। দুই সিটিতেই ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে।
খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট দিতে খুব সকালে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছেন মোজাম্মেল হক। তিনি ভোট দেন ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ন্যাশনাল গার্লস হাই স্কুল কেন্দ্রে। ভোট দেওয়া শেষে ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “ইভিএমে ভোট দিতে সময় লেগেছে ২০ সেকেন্ড। কোনো জটিলতা হয়নি। কেন্দ্রের পরিবেশও ভালো।”
একই কেন্দ্রে ভোট দিতে এসেছেন মারুফা বেগম। তিনি বলেন, “ইভিএমে এবারই প্রথম ভোট দিলাম। সময় লাগলো ৫ মিনিট। পরিবেশ ভালো। কিন্তু মেশিন বুঝতে সময় লাগে।”
১৯ নম্বর ওয়ার্ডের ন্যাশনাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার লতিফা বেগম জানান, ইভিএমে দ্বিতীয়বার ভোট দিলেন। এতে কোনো সমস্যা হয়নি তার।ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
একই কেন্দ্রের আরেক ভোটার শেখ আবু দাউদ বলেন, “ইভিএমে ভোট দেওয়া কোনো সমস্যা না। নির্বিঘ্নে ভোট দিয়েছি। মেশিনে কোনো সমস্যা হয়নি।”
নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, খুলনায় ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৬৮ হাজার ৮৩৩ জন এবং নারী ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯৬ জন।
এই সিটিতে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচজন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের তালুকদার আব্দুল খালেক, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের শফিকুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের আব্দুল আউয়াল, জাকের পার্টির গোলাপফুল প্রতীকের এসএম সাব্বির হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী দেয়ালঘড়ি প্রতীকের এসএম শফিকুর রহমান মুশফিক।
এছাড়া ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৩৬ জন ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৯ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যার মধ্যে নগরীর ১৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে দুই জন কাউন্সিলর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। খুলনার প্রতিটি ভোটকক্ষে একটি ও কেন্দ্রের সুবিধাজনক স্থানে দুটি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রগুলো মোট ২ হাজার ৩১০টি ক্যামেরার আওতায় রয়েছে।



