“মাইকে মাইকে। আমি এক কানে শুনি ভাই, আরেক কান তো খালেদা জিয়া গ্রেনেড হামলা করে দিছে শেষ করে। খুনির দল; সে একটা খুনি, তার স্বামী একটা খুনি, তার একটা ছেলেও খুনি।”
বুধবার (২১ জুন) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে গণভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের কথা স্পষ্ট শুনতে না পেয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে সাম্প্রতিক সুইজারল্যান্ড ও কাতার সফর নিয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ শেষে চলমান ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রে লবিস্ট নিয়োগ করে দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, “প্রথম কথা হচ্ছে আওয়ামী লীগ সেক্যুলারিজমে বিশ্বাস করে; যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে। ২০০১-এর পর সংখ্যালঘুদের ওপর যে নির্যাতন, যে বীভৎস ঘটনা ঘটেছে, সেদিন তো হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলমান কেউ রেহাই পায়নি। মানুষ হত্যা করেছে, মসজিদ ভেঙেছে, মন্দির ভেঙেছে, কোনটা না করেছে তারা?”
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “বিএনপি-জামায়াত সে সময় এ ধরনের ধ্বংসাত্মক কাজ, অত্যাচার-নির্যাতন করেছে। হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুঁড়া গুঁড়া করেও মানুষ হত্যা করেছে। শুধু তা-ই নয়, সেনাবাহিনীর অফিসারদের চাকরি থেকে বিদায় দিয়ে দেওয়া, কারও সাত-আট বছর হয়েছে, তাদের বিদায় দিয়ে দেওয়া, প্রশাসন থেকে ভালো ভালো অফিসারদের বিদায় দেওয়া, একই দিনে একযোগে ১৩ জনকে ওএসডি করে দেয়। ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রথম দিনেই এটা করেছে তারা। এভাবে অত্যাচার করেছে।”
শেখ হাসিনা আরও বলেন, “তারপর রাজনীতি, প্রশাসন সব হাতে নিয়ে, হাওয়া ভবন খুলে একাকার। কারো স্বাধীন ব্যবসা করার সুযোগ ছিল না। কারণ হাওয়া ভবনে দিতে হতো এক ভাগ, খালেদা জিয়াকে এক ভাগ, সবাই এভাবে দিতে হতো। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তো এসব নাই।”



