ঈদ-উল-আজহার দিনটিতে দেশজুড়ে ঝরেছে মুষলধারে বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে কোথাও কোথাও ঈদ জামাতও পণ্ড হয়েছে।
ঈদের দ্বিতীয় দিন (শুক্রবার, ৩০ জুন) সকালটি রৌদ্রোজ্জ্বল ছিল। তবে সারাদেশে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
নিয়মিত বুলেটিনে অধিদপ্তর জানায়, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এতে আরও বলা হয়, সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।
তাপমাত্রার পূর্বাভাসে বলা হয়, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে এবং অন্য এলাকায় তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
তবে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর মূলত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস জানিয়ে থাকে।
শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত পূর্বের ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ১৩৮ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে।



