Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সলিমুল্লাহ খান: আমাদের ভাষা আবার ইংরেজি হয়ে যাচ্ছে

সলিমুল্লাহ খান বলেন, একসময় আমাদের ভাষা ছিল সংস্কৃত। তারপর হলো ফারসি, তারপর হলো ইংরেজি, এরপর উর্দু, এরপর বাংলা। কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো এখন আমাদের ভাষা আবার ইংরেজি হয়ে যাচ্ছে

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৩, ০৮:৫৩ পিএম

ঢাকা লিট ফেস্টের তৃতীয় দিন শনিবার (৭ ডিসেম্বর) বাংলা একাডেমির লনে ‘বাঙালির চিন্তার ইতিহাস' শীর্ষক আলোচনায় আলোচক ছিলেন লেখক, শিক্ষক, গবেষক ড. সলিমুল্লাহ খান এবং পশ্চিমবঙ্গের লেখক, শিক্ষক তপধীর ভট্টাচার্য। আলোচনাটি সঞ্চালনা করেছেন হামীম কামরুল হক।

অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান বাঙালির চিন্তার ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে প্রথমে কীভাবে বেঙ্গলি থেকে বাংলা হলো তা নিয়ে আলোকপাত করেনG

তিনি বলেন, “নাথানিয়াল হ্যালহেড তার বাংলা ব্যাকরণ বইয়ের নাম দিয়েছিলেন অ্যা গ্রামার অব দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ। রাজা রামমোহন রায় পরবর্তীতে লিখেছেন ‘গৌড়িয় ব্যাকরণ'। গৌড়িয় ব্যাকরণে রাজা রামমোহন রায় বেঙ্গলি শব্দটি ব্যবহার করেছেন।”

সলিমুল্লাহ খান বলেন, “এই যে বেঙ্গল থেকে বেঙ্গলি- এটাই আমাদের চিন্তার পরিবর্তনের উৎস।”

বাঙালির চিন্তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বাংলা ভাষার বিবর্তন নিয়ে তিনি বলেন, “বাঙালির চিন্তা বুঝতে হলে আপনাকে ভূ-রাজনৈতিক বুঝতে হবে। বুঝতে হবে ভাষার বিবর্তন। একসময় আমাদের ভাষা ছিল সংস্কৃত। তারপর হলো ফারসি, তারপর হলো ইংরেজি, এরপর উর্দু, এরপর বাংলা। কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো এখন আমাদের ভাষা আবার ইংরেজি হয়ে যাচ্ছে।”

সঞ্চালক কামরুল তপোধর ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞেস করেন, “আপনি বাঙালি জাতিকে কীভাবে দেখেন?” উত্তরে তিনি বলেন, “আমার কাছে বাঙালির ইতিহাসকে অনেক খণ্ডিত মনে হয়।”

“তুমি কে আমি কে, বাঙালি বাঙালি” স্লোগানটি উচ্চারণ করে তপোধর ভট্টাচার্য বলেন, “আমাদের এই প্রশ্ন ও উত্তর সবসময় খুঁজে যেতে হয়। আত্নপরিচয়ের সমাধান করেই চিন্তার প্রকাশ করতে হয়। রাষ্ট্র ও জাতিকে অনেকেই এক মনে করেন।”

“দর্শকের প্রশ্নে” একজন প্রশ্ন করেন, “রাষ্ট্রকে কেন প্রশ্ন করা যায় না?”

উত্তরে ড. সলিমুল্লাহ খান বলেন, “রাষ্ট্রকে যখন জোড়া লাগাতে পারবো, তখনই আমরা রাষ্ট্রকে প্রশ্ন করতে পারবো।”

   

About

Popular Links

x