Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দেশে মোখার তাণ্ডবের শিকার তিন লাখ মানুষ

উপকূলের প্রায় ১২ হাজার ঘরবাড়ির ওপর তাণ্ডব চালিয়েছে মোখা

আপডেট : ১৫ মে ২০২৩, ০৩:০৮ পিএম

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার মূল ঝাপটা মিয়ানমারের ওপর দিয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের উপকূলবর্তী অঞ্চল খানিকটা হলেও বেঁচে গেছে। তারপরও ক্ষয়ক্ষতি নেহাত কম হয়নি। প্রায় তিন লাখ মানুষ ঝড়টির ক্ষতির শিকার হয়েছেন। উপকূলের প্রায় ১২ হাজার ঘরবাড়ির ওপর তাণ্ডব চালিয়েছে মোখা।

রবিবার (১৪ মে) দুপুরে কক্সবাজারের টেকনাফ এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপে আঘাত হানে মোকা। এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশ কারো নিহত হওয়ার খবর মেলেনি। 

ঝড়ের পর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বলেছেন, “আমরা পাঁচ বছরে যত দুর্যোগ মোকাবিলা করেছি, তার মধ্যে এবারের আয়োজন ছিল সর্বোচ্চ। কোথাও কোনো ঘাটতি ছিল না।”

আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন, মূলত তিনটি কারণে ঝড়ের তাণ্ডব মাত্রাছাড়া হয়নি। ঝড়ের কেন্দ্র মিয়ানমারের দিকে সরে গিয়েছিল, ঝড়টি অপেক্ষাকৃত দুর্বল হয়ে পড়েছিল এবং সাগরে ভাটা চলছিল। ফলে জলোচ্ছ্বাস হলেও তার ভয়াবহতা অনেক কম ছিল।

মিয়ানমারে অবশ্য ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মূলত রাখাইন প্রদেশের ওপর দিয়ে ঝড়ের কেন্দ্রটি গেছে। সম্পূর্ণ চিত্র পাওয়া না গেলেও সেখানে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলেই প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। 

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, রাখাইন প্রদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হাজার হাজার বাড়িঘর নষ্ট হয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা এখনো জানা যায়নি। 

রাখাইনের স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, প্রায় ২০ হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু আশ্রয়কেন্দ্রগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাখাইনের রাজধানী কার্যত পানির নিচে চলে গেছে। প্রায় প্রতিটি বাড়িতে একতলা সমান পানি।

এদিকে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর চালু হলেও সেখানে সতর্কতা এখনো জারি আছে। চট্টগ্রাম-সহ উপকূলবর্তী অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা আছে। একইসঙ্গে মহেশখালী এনএনজি টার্মিনাল গভীর সাগরে সরানোর কারণে গ্যাস এবং বিদ্যুতের সংকট দেখা দিতে পারে। বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কিছুদিন সময় লাগবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

   

About

Popular Links

x