Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রধানমন্ত্রী: মোখায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোখার ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে যথেষ্ঠ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলাম। উপকূলীয় ১৩ জেলায় ৭০৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছিলাম। সেখানে সাড়ে সাত লাখেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল

আপডেট : ১৫ মে ২০২৩, ০৫:০৭ পিএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “মোখার ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে যথেষ্ঠ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলাম। আমি নিজে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিয়েছি, নানা নির্দেশনা দিয়েছি। উপকূলীয় ১৩ জেলায় ৭০৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছিলাম। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে সাড়ে সাত লাখেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত পুনবার্সন কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর নিয়ে সোমবার (১৫ মে) বিকেলে গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। 

ঘর্ণিঝড় মোখার ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য সৃষ্টিকর্তার শুকরিয়া আদায় করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার আঘাতে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে আমরা রক্ষা পেয়েছি। যদিও আমাদের সেন্টমার্টিন ও কক্সবাজারে কিছু ক্ষতি হয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেসব এলাকা ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দ্রুতই সেগুলো আবার মেরামতের কাজ শুরু হয়ে গেছে। তা ছাড়া খাবার, পানি যা যা দরকার, সবকিছুরই ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

রবিবার দুপুরে কক্সবাজারের টেকনাফ এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপে আঘাত হানে মোখা। এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশ কারো নিহত হওয়ার খবর মেলেনি। মোখার মূল ঝাপটা মিয়ানমারের ওপর দিয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের উপকূলবর্তী অঞ্চল খানিকটা হলেও বেঁচে গেছে। তারপরও ক্ষয়ক্ষতি নেহাত কম হয়নি। প্রায় তিন লাখ মানুষ ঝড়টির ক্ষতির শিকার হয়েছেন। উপকূলের প্রায় ১২ হাজার ঘরবাড়ির ওপর তাণ্ডব চালিয়েছে মোখা।

   

About

Popular Links

x