সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পেশী শক্তি ব্যবহারের চেষ্টা করা হলে কঠোর হস্তে দমন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
এ বিষয়ে স্থানীয় পুলিশ ও সিভিল প্রশাসনকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১০ জুন) সকালে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি। নগরীর জালালাবাদ গ্যাস অডিটোরিয়ামে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সিইসি বলেন, “নির্বাচন ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) হলেও সিসিটিভির মাধ্যমে তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। সিসিটিভিতে কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম ধরা পড়লে কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, “নির্বাচন হলো গণতন্ত্রের অনিবার্য অনুষঙ্গ। নির্বাচন ছাড়া কখনো গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব না।”
প্রার্থীদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সংবিধানে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকেও সরকার বলা হয়েছে। আপনারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে প্রকৃত অর্থেই সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।”
প্রার্থীদের অহিংস আচরণের পরামর্শ দিয়ে সিইসি বলেন, “নির্বাচনে সহিংসতার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনারা আচরণবিধি মেনে চলবেন। ভোটকেন্দ্রের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন-নির্বাচন কমিশনের সচিব জাহাংগীর হোসেন, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ইলিয়াস শরীফ, জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান প্রমুখ।



