প্রকাশ : ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:২৪ পিএমআপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:২৫ পিএম
রাজধানীর রামপুরায় শিক্ষার্থী মৃত্যু কেন্দ্র করে বাসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দুটি মামলা করেছে পুলিশ। এরমধ্যে একটি মামলায় ৩০০ জন এবং অপরটিতে ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
এর মধ্যে বুধবার (১ ডিসেম্বর) হাতিরঝিল থাকার উপ-পরিদর্শক একেএম নিয়াজুদ্দিন মোল্লাহ ৩০০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এর আগে মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) করা অপর মামলায় ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সোমবার রাত পৌনে ১১টার দিকে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় গ্রিন অনাবিল পরিবহণের বাসের চাপায় মাঈন উদ্দিন নিহত হন। এ ঘটনায় রাতে সড়ক অবরোধ করে উত্তেজিত জনতা। এ সময় ঘাতক বাসসহ আটটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। ভাঙচুর করা হয় আরও চারটি বাস।
এদিকে, বুধবারও রাজধানীর রামপুরা ব্রিজের ওপর নিরাপদ সড়কের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। এদিন নতুন করে আরও ১১ দফা দাবিতে উত্থাপন করে রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা।
সকাল সাড়ে ১১টায় এসব দাবি উত্থাপন করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাস্তা ছাড়বেন না বলেও জানায় তারা।
সড়কে নির্মম কাঠামোগত হত্যার শিকার নাঈম ও মাইনুদ্দিন হত্যার বিচার, পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। গুলিস্তান ও রামপুরা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় পথচারী পারাপারের জন্য ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ, সারাদেশে সব গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ পাস সরকারি প্রজ্ঞাপন দিয়ে নিশ্চিত করা, অর্ধেক ভাড়ার জন্য কোনো সময় বা দিন নির্ধারণ না করা, বর্ধিত বাস ভাড়া প্রত্যাহারসহ সব রুটে বিআরটিসির বাসের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ মোট ১১ দফা দাবি তুলে ধরেন তারা।
রামপুরার ঘটনায় ‘উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র-জনতা’র নামে পুলিশের মামলা
এরমধ্যে একটি মামলায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন এবং অপরটিতে ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে
রাজধানীর রামপুরায় শিক্ষার্থী মৃত্যু কেন্দ্র করে বাসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দুটি মামলা করেছে পুলিশ। এরমধ্যে একটি মামলায় ৩০০ জন এবং অপরটিতে ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
এর মধ্যে বুধবার (১ ডিসেম্বর) হাতিরঝিল থাকার উপ-পরিদর্শক একেএম নিয়াজুদ্দিন মোল্লাহ ৩০০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এর আগে মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) করা অপর মামলায় ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সোমবার রাত পৌনে ১১টার দিকে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় গ্রিন অনাবিল পরিবহণের বাসের চাপায় মাঈন উদ্দিন নিহত হন। এ ঘটনায় রাতে সড়ক অবরোধ করে উত্তেজিত জনতা। এ সময় ঘাতক বাসসহ আটটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। ভাঙচুর করা হয় আরও চারটি বাস।
এদিকে, বুধবারও রাজধানীর রামপুরা ব্রিজের ওপর নিরাপদ সড়কের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। এদিন নতুন করে আরও ১১ দফা দাবিতে উত্থাপন করে রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা।
সকাল সাড়ে ১১টায় এসব দাবি উত্থাপন করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাস্তা ছাড়বেন না বলেও জানায় তারা।
সড়কে নির্মম কাঠামোগত হত্যার শিকার নাঈম ও মাইনুদ্দিন হত্যার বিচার, পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। গুলিস্তান ও রামপুরা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় পথচারী পারাপারের জন্য ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ, সারাদেশে সব গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ পাস সরকারি প্রজ্ঞাপন দিয়ে নিশ্চিত করা, অর্ধেক ভাড়ার জন্য কোনো সময় বা দিন নির্ধারণ না করা, বর্ধিত বাস ভাড়া প্রত্যাহারসহ সব রুটে বিআরটিসির বাসের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ মোট ১১ দফা দাবি তুলে ধরেন তারা।