Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

হাইকোর্ট:‘মাসুদ রানা’ সিরিজ কাজী আনোয়ার হোসেনের নয়

সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন

আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:০৮ পিএম

পাঠকপ্রিয় থ্রিলার সিরিজ ‘মাসুদ রানা’ সিরিজের ২৬০টি বইয়ের মালিকানা কাজী আনোয়ার হোসেনের নয় বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ‘কুয়াশা’ সিরিজের ৫০টি বইয়ের লেখক স্বত্বও জব্দই থাকছে বলে জানানো হয়েছে। 

সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। বাংলা ট্রিবিউন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার এ বি এম হামিদুল মিসবাহ। কপিরাইট অফিসের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান ও ইফতাবুল কামাল অয়ন।

এর আগে শেখ আব্দুল হাকিম ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই “মাসুদ রানা” সিরিজের ২৬০ ও “কুয়াশা” সিরিজের ৫০টি বইয়ের লেখক স্বত্ব দাবি করে সেবা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী কাজী আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ কপিরাইট আইনের ৭১ ও ৮৯ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসে দাখিল করেন।

এরপর ২০২০ সালের ১৪ জুন কপিরাইট অফিস শেখ আবদুল হাকিমের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেয়। এ সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে কাজী আনোয়ার হোসেন হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০২০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়ে রুল জারি করে।

রুলে এখতিয়ারবহির্ভূত হওয়ায় কপিরাইট অফিসের ওই সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সচিব, কপিরাইট অফিস, রেজিস্ট্রার অব কপিরাইটস এবং কপিরাইট বোর্ডকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

কপিরাইট অফিসের রেজিস্ট্রার জাফর রাজা চৌধুরীর বরাতে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়ছে, “শেখ আবদুল হাকিমের দাবি করা মাসুদ রানা সিরিজের ২৬০টি বইয়ের মধ্যে একটি এবং কুয়াশার ৫০টি বইয়ের মধ্যে ছয়টিতে লেখক হিসেবে তার নামে কপিরাইট করা আছে। বাকিগুলোর কপিরাইট করা না থাকলেও সেগুলো যে তার লেখা তা তিনি প্রমাণ করেছেন। তবে কপিরাইট অন্তর্ভুক্তির কারণে তাকে প্রতিটি বইয়ের জন্য আলাদা করে আবেদন করতে হবে। এরপর প্রতিটি বইয়ের লেখক হিসেবে তার নাম যাওয়ার পাশাপাশি, কপিরাইটও তার হয়ে যাবে।






   

About

Popular Links

x