Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

অটোরিকশাকে ‘বাংলার টেসলা’ বললেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

নসরুল হামিদ বলেন, ‘কোনো দূরত্বে তেলচালিত বাহনে যেতে যদি লাগে ১০০ টাকা, সেখানে বিদ্যুৎচালিত যানে যেতে লাগবে ২০ টাকা’

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৮:০০ পিএম

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে “বাংলার টেসলা” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। নারায়ণগঞ্জের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) শামীম ওসমান ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বন্ধের দাবি জানালেও মন্ত্রী এগুলোকে আরও উৎসাহিত করার কথা বলেন।

সম্পূরক প্রশ্নে শামীম ওসমান বলেন, “ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলছে। রিকশার মধ্যেও ব্যাটারি লাগানো হচ্ছে। এগুলো খুবই বিপজ্জনক এবং চলাও নিষিদ্ধ। এই অটোরিকশাগুলো সাত থেকে ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করছে। এগুলো একযোগে সারাদেশে বন্ধের কোনো উদ্যোগ নেবেন কি-না? তা জানতে চাই।”

জবাবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, “কত দ্রুত ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমকে ইলেকট্রিকে নিয়ে যাওয়া যায়, তার জন্য সারা বিশ্বে এখন একটা রেভুলেশন চলছে। তেলচালিত গাড়ির ইঞ্জিনের দক্ষতার মাত্রা হলো ২০%। অপরদিকে ইলেকট্রিক যন্ত্রের দক্ষতার মাত্রা হলো ৮০%। মূলত আমরা উৎসাহিত করি- বাজারে যত দ্রুত পারে ইলেকট্রিক গাড়ি আসুক।”

তিনি বলেন, “কোনো দূরত্বে তেলচালিত বাহনে যেতে যদি লাগে ১০০ টাকা, সেখানে বিদ্যুৎচালিত যানে যেতে লাগবে ২০ টাকা। বাংলাদেশে ৪০ লাখের বেশি যানবাহন আছে। এগুলো লেড ব্যাটারি ব্যবহার করে। এসব ব্যাটারি চার্জ করতে সময় লাগে সাত থেকে আট ঘণ্টা। এগুলো যদি লিথিয়াম ব্যাটারি হয়, তাহলে লাগবে মাত্র ৩০ মিনিট।”

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা ইলেকট্রিক গাড়ির চার্জ স্টেশন বসানোর নীতিমালা করেছি। এ নীতিমালা করে যে কেউ চাইলে চার্জ স্টেশন করতে পারবেন।”

তিনি বলেন, “এই ৪০ লাখ থ্রি হুইলারকে আমি বলি বাংলার টেসলা। যান্ত্রিকভাবে এতে ত্রুটি থাকতে পারে। কিন্তু বিদ্যুৎ যেটা ব্যবহার করছে, তার রিটার্ন কিন্তু অনেক বেশি। এই ৪০ লাখ রিকশাচালক, যারা বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন। তারা অবশ্যই আয় করছেন। এক্ষেত্রে আমরা লেড ব্যাটারি থেকে তারা যেন লিথিয়াম ব্যাটারিতে চলে আসেন- এটা নিয়ে আমরা একটা প্রকল্প করছি। আমরা লেড ব্যাটারি নিয়ে তাদের লিথিয়াম ব্যাটারি দেব।”

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমি মনে করি, বাংলাদেশে যত গণপরিবহন আছে, সেগুলোকে দ্রুততার সঙ্গে বিদ্যুতে নিয়ে আসা উচিত। খরচ কম, পরিবেশ বান্ধব। পরিবহন সেক্টর ১৮% কার্বন নিঃসরণ করে।”

   

About

Popular Links

x