Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দুটি সংযোগ সড়কের সংস্কারকাজ বন্ধ: মানুষের ভোগান্তি, চড়ে বেড়ায় গরু

ভোগান্তিতে পড়েছেন বগুড়ার সারিয়াকান্দি পৌরসভার দেলুয়াবাড়ি ও দীঘলকান্দি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ

আপডেট : ০৭ মার্চ ২০২৪, ০৩:০৮ পিএম

বগুড়ার সারিয়াকান্দি পৌরসভার দুটি সংযোগ সড়কের সংস্কারকাজ গত কয়েক মাস ধরে বন্ধ। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন দেলুয়াবাড়ি ও দীঘলকান্দি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, জাইকার এ উন্নয়ন প্রকল্পের ঠিকাদার পালিয়ে গেছেন। আর ঠিকাদারের ভাষ্য, “কাজ ছেড়ে পালানোর কোনো সুযোগ নেই। নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় মন্ত্রণালয়ে পুনরায় টেন্ডার বা দর বৃদ্ধির আবেদন করা হয়েছে।”

সারিয়াকান্দি পৌর এলাকার কৈয়েরপাড়া মসজিদ থেকে দেলুয়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত সড়ক পুনর্নির্মাণ ও মেরামত কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের ২৭ নভেম্বর। এ কাজের উদ্বোধন করেন ওই এলাকার সংসদ সদস্য সাহাদারা মান্নান।

প্রকল্পে বাংলাদেশ সরকার ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ২ কেটি ৫৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। প্রকল্পটির নাম “ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট অ্যানহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট”। এটি বাস্তবায়ন করছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। ০.৯১৭ ও ০.৯৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়কটির নির্মাণকাজের মেয়াদ ছিল ২০২২ সালের শেষ পর্যন্ত। তবে ঠিকাদার ও তাদের লোকজন কিছু কাজ করেই চলে গেছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এই সড়ক দিয়ে সারিয়াকান্দি উপজেলার দেলুয়াবাড়ি ও দীঘলকান্দি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। কাজটি শেষ না করে ফেলে রাখায় এসব মানুষকে অনেক পথ ঘুরে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। এতে তাদের বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে।

স্থানীয়রা সড়কটিকে পতিত সড়ক বলছেন/ঢাকা ট্রিবিউন

এদিকে সড়কের তিনটি সেতুর নির্মাণকাজ এবং রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু এসব সেতুতে নেই সংযোগ সড়ক। ফলে স্থানীয়রা সড়কটিকে পতিত সড়ক বলছেন।

ঠিকাদার ফয়েজ মিয়া ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “এই কাজের সব নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই পুনঃ টেন্ডার বা দর বৃদ্ধির জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। বিষয়টি সেখানে বিবেচনাধীন।”

পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই কাজে আমার ২০ লাখ টাকা জামানত দেওয়া আছে। অনেক টাকার কাজও করে ফেলেছি। এখন পর্যন্ত ৫% বিলও পাইনি। তাই আমার পালিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

সারিয়াকান্দি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “খুব শিগগিরই কাজটি শুরু করতে ঠিকাদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

সারিয়াকান্দি পৌরসভার মেয়র মতিউর রহমান মতি জানান, কাজটির নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় তিনি এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়েছেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস কেন কাজটি দ্রুত শেষ করতে পারছে না তা বোধগম্য নয়।

   

About

Popular Links

x