Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পলক: চেয়ারম্যান প্রার্থীকে অপহরণ-মারধরে জড়িতদের কাউকে ছাড় নয়

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় আমি লজ্জিত, দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী। যারাই জড়িত, তাদের সুষ্ঠু বিচার হবে’

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৩১ পিএম

নাটোরের সিংড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ও তার ভাইকে অপহরণ করে মারধরের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেছেন, “এ ঘটনায় আমি লজ্জিত, দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী। এই ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের সুষ্ঠু বিচার হবে। কেউ ছাড় পাবে না।”

দেলোয়ার হোসেন বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকালে তাকে দেখতে হাসপাতালে যান প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এসময় তার সঙ্গে সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ছিলেন। পলক দেলোয়ার হোসেন ও তার দুই ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেন। এছাড়া তিনি দায়িত্বরত চিকিৎসকের কাছে ভুক্তভোগীর শারিরীক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পলক বলেন, “আমি বিদেশে ছিলাম। বৃহস্পতিবার রাতে দেশে ফিরেছি। তবে বিদেশে থেকেও এ ঘটনার খোঁজখবর নিয়েছি। আমি ভাবতেও পারিনি নাটোরের মাটিতে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে।”

তিনি বলেন, “এ ঘটনায় আমি লজ্জিত, দুঃখিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী। প্রধানমন্ত্রী এ ঘটনার খোঁজ-খবর রাখছেন। যারা জড়িত, তাদের সুষ্ঠু বিচার হবে। কেউ ছাড় পাবে না।”

ওই ঘটনায় দেলোয়ার হোসেনের ভাই অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

আদালতে তিনি বলেছেন, “আওয়ামী লীগ নেতা ও নির্বাচনের প্রার্থী লুৎফুল হাবীবের পক্ষ হয়ে তারা ওই ঘটনা ঘটিয়েছেন।”

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সিংড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী লুৎফুল হাবীব ও তার সহযোগীরা ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। লুৎফুল হাবীব উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের শ্যালক।

এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পলক বলেন, “লুৎফুল হাবীব আমার আত্মীয়, তা অস্বীকার করব না। তবে আত্মীয়তার সুবাদে বা রাজনৈতিক কারণে সে বা অন্য কেউ বাড়তি সুবিধা পাবেন না। বরং এমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যা এমপি-মন্ত্রীর স্বজনদের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ব্যাপারে আমরা দলের পক্ষ থেকেও খুব অল্প সময়ের মধ্যে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।”

গত সোমবার পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে নাটোর জেলা প্রশাসক ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে থেকে দেলোয়ার হোসেন ও তার ভাইসহ দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে অপহরণ করে মারধর করে দুর্বৃত্তরা। পরে দেলোয়ার হোসেনকে মুমূর্ষু অবস্থায় তার গ্রামের বাড়ির সামনে ফেলে যায় তারা।

   

About

Popular Links

x