Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

গুলিস্তান-মিরপুরের কাপড় পাকিস্তানের বলে বিক্রি করেন তনি!

পুলিশ প্লাজার সানভি’স বাই তনি শোরুমটি বন্ধ করে দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর

আপডেট : ১৫ মে ২০২৪, ০৯:৫৯ এএম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত নাম রোবাইয়াত ফাতেমা তনি। ফেসবুকে তাকে কেউ কটূ কথা বললেই দারুণভাবে পাল্টা জবাব দেওয়ার কারণে বেশ জনপ্রিয় তিনি। পাশাপাশি ব্যাবসায়ী হিসেবে খ্যাতি রয়েছে তার। ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি পোশাকের শোরুম রয়েছে তার। অনলাইনেও পণ্য বিক্রি করেন তিনি।

অনলাইন-অফলাইন মিরিয়ে ভালোই চলছিল তনি’র ব্যবসা। তবে এবার তার বিরুদ্ধে উঠে এলো গ্রাহকদের বিশ্বাসকে পুঁজি করে প্রতারণার অভিযোগ।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বলছে, গুলিস্তান, সাভার, মিরপুর, টঙ্গী এলাকা থেকে কাপড় সংগ্রহ করে সেগুলো পাকিস্তানি বলে বিক্রি করতেন তনি। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরও কিছু অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সোমবার (১৩ মে) রাজধানীর পুলিশ প্লাজায় “সানভি’স বাই তনি” শোরুমে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মূলত কয়েকজন ভোক্তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে শুনানিতে হাজির হতে বলা হয় তনিকে। তবে তিনি হাজির না হওয়ায় এই অভিযান চালায় সংস্থাটি। 

এ সময়ে বিদেশ থেকে কাপড় আনার কোনো চালান বা আমদানির কাগজপত্র দেখাতে পারেনি শোরুম কর্তৃপক্ষ। তাই, পুলিশ প্লাজার সানভি’স বাই তনি শোরুমটি বন্ধ করে দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একইসঙ্গে পাকিস্তানি পোশাক আমদানির কাগজপত্র নিয়ে অধিদপ্তরে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে রোবাইয়াত ফাতেমা তনিকে। 

এছাড়া, শোরুমে পোশাক বিক্রির লাইসেন্স অবৈধভাবে বিভিন্ন কসমেটিকসও বিক্রি করা হত বলেও জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

এ বিষয়ে অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল বলেন, “আমরা বেশ কয়েকজন ভোক্তার কাছে অভিযোগ পেয়েছি, তারা পাকিস্তানি ড্রেস (পোশাক) অনলাইনে বিক্রি করে কিন্তু তারা ডেলিভারি দেওয়ার সময় দেশি ড্রেস দেয়। সেগুলো পাকিস্তানি নামে বিক্রি করে আসছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে নোটিশ জারি করা হয় শুনানির জন্য, তিনি আসেননি। তাই আমরা অভিযানে এসেছি, অভিযানে তারা কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। আমরা শোরুম বন্ধ করে দিয়েছি। এরপর পোশাক আমদানির কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেছি।”

   

About

Popular Links

x