Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বিবাহিতের হার সবচেয়ে বেশি রাজশাহী বিভাগে, কম সিলেটে

  • দেশে ১০ বছরের ওপরে বয়সীদের ৬৫.২৬% বর্তমানে বিবাহিত
  • সবচেয়ে কম তালাক হয় বরিশাল বিভাগে
  • দাম্পত্য বিচ্ছেদের হার সবচেয়ে বেশি খুলনা বিভাগে
আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৬:২৮ পিএম

দেশে ১০ বছরের উপরে বয়সীদের ৬৫.২৬% বর্তমানে বিবাহিত এবং ২৮.৬৫% মানুষ অবিবাহিত। আর বাকিরা বিধবা বা বিপত্নীক কিংবা তালাকপ্রাপ্ত। বিবাহিতদের মধ্যে নারীরা এগিয়ে। দশোর্ধ্ব নারীদের ৬৭.৪৭% বিবাহিত এবং পুরুষদের ৬৩.০২% বিবাহিত। অঞ্চলভিত্তিক পরিসংখ্যানে বিবাহিতের হার সর্বোচ্চ রাজশাহী বিভাগে (৬৮.৯৭%) এবং সর্বনিম্ন সিলেট বিভাগে (৫৫.৫৯%)।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) “জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২”-এর বৈবাহিক অবস্থার বিশ্লেষণে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের চট্টগ্রাম বিভাগে বিবাহিতের হার ৬১.৬৭%, বরিশালে ৬৬.৬৬%, ঢাকায় ৬৫.৬৩% খুলনায় ৬৮.৮৫%, ময়মনসিংহে ৬৫.৭৪% এবং সিলেট বিভাগে ৬৭.৬৫%। অবিবাহিতদের হার সবচেয়ে বেশি সিলেট বিভাগে ৩৭.৭৭%। এছাড়াও দেশে তালাকপ্রাপ্তের হার ০.৩০%, ঢাকা বিভাগে ০.৪০%, খুলনায় ০.৫৫%, ময়মনসিংহে ০.৪০% রংপুরে ০.৩৮% এবং সিলেট বিভাগে ০.৪৩%।

এদিকে দেশে দাম্পত্য বিচ্ছিন্নের হার ০.৩৭%। দাম্পত্য বিচ্ছিন্নে নারীদের হার বেশি ০.৫১%। পুরুষের ০.২২%। দাম্পত্য বিচ্ছিন্নের হার সবচেয়ে বেশি খুলনা বিভাগে ০.৪৬% এবং সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। ঢাকায় ও রাজশাহী বিভাগে সেই হার ০.৩৭%, চট্টগ্রামে ০.৩২%, রংপুর ও ময়মনসিংহে ০.৩৫% এবং সিলেট বিভাগে দাম্পত্য বিচ্ছিন্নের হার ০.৩৯%।

তবে বিবিএসের এই প্রতিবেদনে বৈবাহিক সম্পর্কের যে তথ্য উঠে এসেছে, তা পুরোপুরি চিত্র নয় বলে মনে করেন জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন।

তিনি অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “গ্রামাঞ্চলে এখনও মুখে মুখে তালাক দেওয়ার প্রবণতা আছে। তাছাড়া ঢাকায় বা বিভিন্ন শহরে অনেকে বিয়ে করে রেজিস্ট্রি করেন না। এই দুটো বিষয় কিন্তু পুরোপুরি রেজিস্ট্রেশনের ওপর নির্ভর করে। সেক্ষেত্রে প্রতিবেদনে বৈবাহিক অবস্থার প্রকৃত যে চিত্র, তা পুরোপুরি উঠে আসেনি।”

মুখে মুখে তালাক বা রেজিস্ট্রেশন না করে বিয়ে করার সংখ্যা নেহায়েত কম নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়। তখন দেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ১৫ লাখ। এরই ধারাবাহিকতায় ১০ বছর পরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ এবং ২০১১ সালে যথাক্রমে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ এবং পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৮১ সালের আদমশুমারিতে মোট জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৮ কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার ৯৬৫ জনে।

১৯৯১ সালে দেশে মোট জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ কোটি ৬৩ লাখে। ২০০১ সালে চতুর্থ আদমশুমারি ও গৃহগণনা করা হয়। সে সময় জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ কোটি ২৪ লাখ। ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জনশুমারিতে দেখা যায়, দেশের জনসংখ্যা বেড়ে হয় ১৪ কোটি ৪০ লাখ। ষষ্ঠ এবং সর্বশেষ ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এ মোট জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ কোটি ৯৭ লাখ ৪৭৭ জনে।

   

About

Popular Links

x