Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

শিল্প উপদেষ্টা: রবিবার খোলা থাকবে দেশের সব পোশাক কারখানা

কারখানায় অস্থিরতা তৈরি হলে সোমবার থেকে সেই কারখানা শ্রম আইনের ১৩/১ ধারা অনুযায়ী অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৭:৫৩ পিএম

রবিবার থেকে দেশের সব তৈরি পোশাকশিল্প কারখানা খোলা থাকবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। তিনি বলেন, “কোনো কারখানায় অস্থিরতা তৈরি হলে বিশেষ ব্যবস্থা নেবে সরকার। দেশের অর্থনীতিকে বিপদে ফেলতে কেউ যদি কারখানা বন্ধ রাখার অপচেষ্টা করেন, সেটাও মনে রাখা হবে।”

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ভবনে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিজিএমইএ সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, সরকার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেওয়ায় আগামীকাল রবিবার দেশের সব পোশাক কারখানা খোলা থাকবে। তবে কোনো কারখানায় অস্থিরতা তৈরি হলে আগামী পরশু দিন থেকে সেই কারখানা শ্রম আইনের ১৩/১ ধারা (কাজ নেই, বেতন নেই) অনুযায়ী অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।

মতবিনিময় সভায় তৈরি পোশাকমালিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা ও অন্তর্বর্তী সরকারের শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, উপস্থিত ছিলেন।

এসময় শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, “তৈরি পোশাক খাতে উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে সরকার কমিটি করেছে। এই কমিটির মাধ্যমে সবার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে। সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করার যে সংস্কৃতি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, তা ফিরিয়ে আনতে হবে।”

শ্রম উপদেষ্টা বলেন, “সবক্ষেত্রে আমরা ষড়যন্ত্র খুঁজতে গেলে হবে না। কিছু ক্ষেত্রে বাস্তবিক সমস্যা আছে। এগুলো আমাদের সমাধান করতে হবে। অনেক জায়গায় বেতন আটকে আছে। এতদিন একটা চর্চা ছিল, টাকা থাকা সত্ত্বেও সরকারের দিকে ঋণের জন্য তাকিয়ে থাকা। শ্রমিক, মালিক, সরকার সবাই মিলে সমস্যাগুলো সমাধান করবো। সবাই মিলে সামনে এগিয়ে যাবো।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে টিসিবির সঙ্গে কথা বলছি। শ্রমিকদের কার্ড করে দিয়ে কিভাবে রেশনিংয়ের ব্যবস্থা করা যায়, আমরা সেই উদ্যোগ নিয়েছি। শ্রম আইনের মধ্য থেকে ট্রেড ইউনিয়ন করার যতটা সুযোগ আছে, তা নিশ্চিত করবে সরকার। এ ছাড়া গত বছরের শেষ দিকে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনের সময় যেসব মামলা হয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।”

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, “শ্রমিক-মালিক কেনো পরস্পরকে দোষারোপ করবে, পরস্পর পরস্পরের দায়িত্বটা নেওয়াটা আমাদের জরুরি। এই সেক্টর রক্ষা করা আমাদের দেশপ্রেমেরই অংশ। দেশের মানুষকে ভালোবাসলে এই সেক্টরকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। এই অর্ডারগুলো অন্য দেশে চলে যাক, এটা আমরা কেউ চাই না। তাই কেউ পক্ষ-বিপক্ষ হওয়া যাবে না। দেশের অর্থনীতিকে রক্ষা করতে আমাদের সবার খেয়াল রাখতে হবে।

   

About

Popular Links

x