Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার থেকে প্রাইভেট কার চালকের মরদেহ উদ্ধার

নিহতের শরীরে আঘাতের একাধিক চিহ্ন পাওয়া গেছে

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০২৪, ০৬:৩২ পিএম

ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার ধোলাইপাড় ফ্লাইওভারের ওপর থেকে এক প্রাইভেট কার চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম সোহেল মিয়া (৩৮)। তিনি এর আগে এক দিন নিখোঁজ ছিলেন।

শুক্রবার (১ নভেম্বর) সকাল ৬টায় ফ্লাইওভারের ওপর থেকে সোহেল মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক আমির হোসেন। তিনি বলেন, “সংবাদ পেয়ে সকাল ৬টায় ফ্লাইওভারের ওপর থেকে সোহেল মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সোহেলের স্ত্রী শারমিন সুলতানার মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়।”

তিনি জানান, নিহতের মাথায় জখম, কপাল ও ডান কাঁধে ক্ষতচিহ্ন, নাক থেঁতলানোসহ একাধিক আঘাতচিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী শারমিন সুলতানা বলেন, “আমার স্বামী প্রাইভেট কার চালক ছিলেন। আমাদের নিজেদের গাড়ি। বৃহস্পতিবার বিকেলে গাড়ির কাজ করানোর জন্য সবুজবাগের  বাসাবো ঝিলপাড় এলাকার গ্যারেজে যান। বিকেল ৪টা পর্যন্ত তার সঙ্গে কথা হয়েছে। এরপর তাকে আর মোবাইলে পাওয়া যায়নি।”

তিনি আরও বলেন, “পরে গাড়ির মিস্ত্রি রুবেলের সঙ্গে কথা হয়। রুবেল জানান সোহেল চলে গেছেন, কিন্তু সে বাসায় আসেনি। গাড়িটি গ্যারেজে রয়েছে। পরে আমি গ্যারেজে গিয়ে রুবেলের সঙ্গে কথা বলি। তার আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় বলি থানায় জিডি করবো। তখন রুবেল বলেন জিডির দরকার কেন। বিষয়টি সবাইকে জানাচ্ছি কেন। পরে রাতেই সবুজবাগ থানায় জিডি করি। শুক্রবার সকালে ড্রাইভারদের ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে সংবাদ পাই ধোলাইপাড় ফ্লাইওভারের ওপরে একটি মরদেহ পাওয়া গেছে। পরে সেখানে গিয়ে দেখি সোহেলের মরদেহ।”

শারমিন সুলতানা দাবি করে বলেন, “এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। গ্যারেজে তাকে ব্যাপক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে মারা যাওয়ায় ওখানে ফেলে দিয়ে আসে। কয়েকজন মিলে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।”

সোহেলের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার আকনকান্দি গ্রাম। তার বাবার নাম মোকলেছুর রহমান ও মা জাহানারা বেগম। সবুজবাগের কদমতলায় ভাড়া বাসায় সপরিবারে থাকতেন। এক ছেলে ও এক মেয়ের আছে তার। 

   

About

Popular Links

x