Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বকেয়া বেতনসহ বিভিন্ন দাবিতে খানটেক্স ফ্যাশন কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভ

কারখানার শ্রমিকরা বেতন-ভাতাসহ অন্য বকেয়ার দাবিতে গত দুই দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০২৪, ১১:৪২ এএম

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় কেএফএল গ্রুপের খানটেক্স ফ্যাশন লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা অক্টোবর মাসের বকেয়া বেতনসহ বিভিন্ন দাবিতে কাজ বন্ধ করে কারখানা অভ্যন্তরে বিক্ষোভ করছেন।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে তারা কারখানার ফটকে প্রবেশ করে অ্যাসেম্বলি পয়েন্টে অবস্থান নেন। পরে উৎপাদন ফ্লোরে প্রবেশ না করে সেখানেই বিক্ষোভ করতে শুরু করেন।

জানা গেছে, মাওনা ইউনিয়নের বারতোপা বাজারের পশ্চিমে অবস্থিত এই কারখানার শ্রমিকরা বেতন-ভাতাসহ অন্য বকেয়ার দাবিতে গত দুই দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন।

বিক্ষোভকারী শ্রমিক নয়নতারা, মৌসুমি, অহাম্মদ, বিপুল, মাজহারুলসহ অন্যরা ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “প্রতি মাসের সপ্তম কর্মদিবসে বেতন দেওয়ার নিয়ম থাকলেও কর্তৃপক্ষ অনিয়মিতভাবে ভেঙে ভেঙে বেতন দিচ্ছে। প্রতি মাসেই ২০ তারিখের পর আমাদের বেতন দেয়। এর মধ্যে শ্রমিকদের বেতন দিলেও সুপারভাইজার, ডিস্ট্রিবিউটর, মার্কারম্যানদের বেতন অর্ধেক অর্ধেক দিয়ে থাকে। লাইন চিফ, ইনচার্জ ও ম্যানেজারদের বেতন গত দুই মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। কর্তৃপক্ষ প্রতি মাসেই বেতন দেওয়ার তারিখ দিয়ে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে।”

তারা জানান, পারিবারিক জরুরি সমস্যার কারণে এক/দুই দিন ছুটি চাইলে ছুটি দেয় না, তখন অনুপস্থিত হলে বিনা করণে তাৎক্ষণিক চাকরিচ্যুত করে। কোনো ধরনের শ্রম আইন না মনে কারখানা মালিক শ্রমিকদের চাকরিচ্যুত করে। তাছাড়া গত কয়েক বছর ধরে অর্জিত ছুটি, টিফিন বিল, হাজিরা বোনাস, ইনসেনটিভ বোনাস দেয় না। স্টাফদেরকে গত দুই ঈদে অর্ধেক ঈদ বোনাস দিয়েছে। এ নিয়েও তাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে।

শিল্প পুলিশের ইন্সপেক্টর আব্দুল লতিফ জানান, খানটেক্স ফ্যাশন লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা দুই দিন ধরে কারখানা অভ্যন্তরে বিক্ষোভ করছেন। সোমবার সকালে তারা কাজে যোগদান না করে অ্যাসেম্বলি পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করছেন। কারখানায় শিল্প ও থানা পুলিশ অবস্থান করছে।

কারখানার সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক (এজিএম) হুমায়ুন কবির ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “বৃহস্পতিবার আমরা কিছু শ্রমিকের বেতন দিয়ে দিয়েছি। যারা আছে তাদেরকে বলছি, আগামী বৃহস্পতিবার দেব। কিন্তু তারা এটা না মেনে আন্দোলন করতেছে। ব্যাংক থেকে টাকা দিচ্ছে না, টাকা তুলতে পারতেছি না। এ জন্য বেতন দিতে পারতেছি না। বুঝতে পারছেন, বর্তমানে দেশের পরিস্থিতি।”

স্টাফদের দুই-তিন মাসের বেতন বকেয়ার কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, “স্টাফদের বেতন ক্লিয়ার করা হয়েছে, কোনও বকেয়া নেই।”

   

About

Popular Links

x