Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘বাসের সিট নিয়ে’ ইবি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ

বাগ্‌বিতণ্ডার সময় আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থী প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামানকে ধাক্কা দেন

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১২:১০ পিএম

বাসের সিট ধরাকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থী, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য, নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও শিক্ষক আহত হয়েছেন।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে ক্যাম্পাসের অনুষদ ভবনের সামনে আইন ও আল-ফিকহ্ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুষ্টিয়া শহর থেকে ক্যাম্পাসে ছেড়ে যাওয়া একটি ডাবল ডেকার বাসে বন্ধুদের জন্য দুটি সিট ধরে রাখেন আল-ফিকহ্ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের তিন শিক্ষার্থী। পরে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সুমন অভ্র (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ) বাসে উঠে জ্যাকেট সরিয়ে ওই সিটে বসেন। এ নিয়ে সুমনের সঙ্গে তিন শিক্ষার্থীর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয় এবং সুমন মুখে আঘাত পান।

আরও জানা গেছে, সুমন অভ্র বিষয়টি আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের জানালে তারা ফটকে বাস আটকান। এক পর্যায়ে বাসের সামনের গ্লাস ভাঙচুর করেন। পরে আল-ফিকহ্ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরাও সেখানে উপস্থিত হন। রাত ১০টার দিকে বিষয়টি সমাধানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডি উভয়পক্ষের শিক্ষকদের নিয়ে অনুষদ ভবনের প্রক্টর অফিসে আলোচনায় বসেন। এ সময় দুই বিভাগের শিক্ষার্থীরা ভবনের সামনে অপেক্ষা করেন। 

আলোচনা শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে দু’পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হলে প্রক্টর বিষয়টি শিক্ষার্থীদের জানায়। চলে যাওয়ার সময় আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা আল-ফিকহ্ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের “সন্ত্রাসী” বলে। এ নিয়ে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এ সময় আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থী প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামানকে ধাক্কা দেয়। আল-ফিকহ্ বিভাগের শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ করলে ঝাল চত্বরে উভয়পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় মারামারি হয়। এতে উভয়পক্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়।

শিক্ষার্থীদের থামাতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং উপস্থিত অন্যান্য শিক্ষক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারাও আহত হন। তাদের বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের টেন্টের পেছনে কিছু বাঁশের লাঠিসোঁটা জড়ো করে রাখেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “রবিবার এ বিষয়ে আমরা আবারও বসবো। ছাত্র উপদেষ্টা ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা উভয়পক্ষকে নিয়ে বসে বিষয়টির সমাধান করা হবে।”

   

About

Popular Links

x