Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বিএনপি কর্মী হত্যা, শেখ হাসিনা-ইরেশ যাকেরসহ ৪০৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মৃত্যুর নয় মাস পর এ মামলা দায়ের করা হয়

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৪৫ পিএম

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ঢাকার মিরপুরে গুলিতে বিএনপি কর্মী মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যার অভিযোগে অভিনেতা ইরেশ যাকেরসহ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আরও ৪০৬ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার (২৭ এপ্রিল) মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক রাজীব হোসেন জানান, গত ২০ এপ্রিল নিহত শ্রাবণের ভাই মোস্তাফিজুর রহমান বাপ্পি মামলাটি দায়ের করেন।

মার্কেটিং ও বিজ্ঞাপন সংস্থা এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইরেশ জাকেরকে মামলার ১৫৭ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৫ এপ্রিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) কর ফাঁকির অভিযোগে এশিয়াটিক মার্কেটিং কমিউনিকেশনস লিমিটেডের (এশিয়াটিক এমসিএল) সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করে। এটি এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটির প্রধান প্রতিষ্ঠান। এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন ইরেশ জাকের এবং চেয়ারপারসন হলেন তার মা সারা জাকের।

নিহত শ্রাবণ মিরপুরে বসবাস করতেন। গত বছরের ৫ আগস্ট মিরপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, আমার ছোট ভাই মাহফুজ আলম শ্রাবণ (২১) বিএনপির একজন কর্মী। সে রেনেটা কোম্পানিতে ক্যাজুয়াল হিসেবে আনুমানিক ৬ মাস যাবত চাকরিতে নিয়োজিত ছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরুর পর থেকে বিভিন্ন সময় আমার ভাই ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে ছাত্রদের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিত। ঘটনার দিন গত ৫ আগস্ট দুপুরে শেখ হাসিনা সরকারের চূড়ান্ত পতনের লক্ষ্যে বেলা আড়াইটার সময় ছাত্র-জনতার মিছিল মিরপুর মডেল থানাধীন মিরপুর শপিং কমপ্লেক্স ও মিরপুর মডেল থানার মধ্যবর্তী রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় আসামিদের নির্দেশে তাদের দলীয় আরও ৫ শতাধিক নেতাকর্মী একত্রে শান্তিপূর্ণভাবে মিছিলকারী ছাত্র-জনতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত আক্রমণ চালায়। তারা সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল, রাবার বুলেট, রাইফেল, শটগান, পিস্তলের গুলিবর্ষণ করে এবং ককটেল ও হাত বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ত্রাসের সৃষ্টি করে।

আসামিদের গুলি বর্ষণের ফলে আমার ভাই মাহফুজ আলম শ্রাবণের (২১) বুকের বাম পাশে গুলিবিদ্ধ হয়, যা ডান পাশের কোমর ছিদ্র হয়ে বের হয়ে যায়। গুলির আঘাতে আমার ছোট ভাই তাৎক্ষণিক রক্তাক্ত অবস্থায় মিরপুর মডেল থানার প্রধান গেটের সামনে রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে। আমার ভাইসহ অনেকে ঘটনাস্থলে আসামিদের করা গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়। তখন সেখানে উপস্থিত ছাত্র-জনতা আমার ভাইকে চিকিৎসার জন্য রিকশায় করে মিরপুরের একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

   

About

Popular Links

x