Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ দুই বোন, বড় বোন নিহত

নীলফামারীর ইপিজেড এলাকায় দগ্ধ ছোট বোন আশংকাজনক অবস্থায় হাসপাতালে

আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০২৫, ০৩:৩৫ পিএম

নীলফামারীতে ইপিজেড এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় বড় বোন সুইটি আখতার (২২) নিহত এবং ছোট বোন তাসকিনা (১৯) আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হলে সেখানে সুইটি মারা যান।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে ইপিজেড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যাক্ষদর্শী ও স্বজনরা জানান, সকাল ৯টার দিকে ইপিজেড এলাকার একটি বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে সুইটি আখতার (২২) ও তার ছোট বোন তাসকিনা (১৯) গুরুতর আহত হন। তাদের দুই বোনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হলে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বড় বোন সুইটি মারা যান। ছোট বোন তাসকিনার অবস্থা আশংকাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। 

জানা গেছে, সুইটি আখতার নীলফামারী মহিলা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। আর তাসকিনা ডোমার সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন।  তারা ইপিজেড মোড়ে  একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। সেখান থেকে তারা ইপিজেডে চাকরি করতেন। তারা ডোমারের বাবুল হোসেন ও ফাতিমা দম্পতির কন্যা।

অন্যদিকে, দুপুর ১২টার দিকে  নীলফামারীর ইপিজেডের ভেতরে সনি বিডি লিমিটেড নামে কারখানায়  একটি মেশিন বিস্ফোরণে কর্মচারী লিটন চন্দ্র রায় ও রবিউল ইসলাম দগ্ধ হন। তাদেরকেও বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। 

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহীন শাহ বলেন, “দগ্ধ সুইটি মারা গেছেন। তার শরীর ১০০% বার্ন হয়েছিল। তার ছোটবোন তাসকিনারও ১০০% বার্ন হয়েছে। তার অবস্থা সংকটাপন্ন। এছাড়াও অপর ঘটনায় দগ্ধ লিটন ও রবিউলের ৩০% বার্ন হয়েছে। আমরা চিকিৎসা সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।”

   

About

Popular Links

x