চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বাবা-মায়ের সামনে রিয়াদ হোসেন (১৩) নামের এক স্কুলছাত্রকে দিনদুপুরে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (১২ মে) দুপুরে উপজেলার দর্শনা থানাধীন পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রিয়াদ হোসেন দর্শনা মেমনগর বিপ্রদাস (বিডি) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি একই গ্রামের হযরত আলী। স্কুলছাত্রের হত্যার পর অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন।
স্কুলছাত্রের এমন মৃত্যুতে গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনার পর পুলিশের দামুড়হুদা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাকিয়া সুলতানা ও দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদ মো. তিতুমীর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় নিহতের মরদেহ বাড়িতেই রাখা ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে প্রতিবেশী হযরত আলীর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। পরে সোমবার দুপুরে গোবর দিয়ে তৈরি ঘুঁটে শুকানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে হযরত আলী বাড়ির ভেতর থেকে ধারালো অস্ত্র (লম্বা ধারালো দা) এনে নিহত স্কুলছাত্রের বাবা-মায়ের চোখের সামনেই রিয়াদের গলায় কোপ মারেন। এতে ঘটনাস্থলেই রিয়াদ মারা যায়।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাকিয়া সুলতানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোকে বলেন, “অভিযুক্ত হযরত আলীকে ধরতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”



