Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বাণিজ্যমন্ত্রী: বাজারে স্বস্তি ফিরতে এক মাস সময় লাগবে

টিপু মুনশি বলেন, ইতোমধ্যে ডিম আমদানির বিষয়টি চূড়ান্ত হলেও কিছু টেকনিক্যাল কারণে সময় পিছিয়েছে। আলু আমদানিতেও তৎপর রয়েছে মন্ত্রণালয়

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০২৩, ০৫:২৯ পিএম

নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফিরতে আরও এক মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

তিনি বলেছেন, “দেশের অস্থির নিত্যপণ্যের বাজার স্বস্তির হতে আরও এক মাস সময় লাগবে। ইতোমধ্যে ডিম আমদানির বিষয়টি চূড়ান্ত হলেও কিছু টেকনিক্যাল কারণে সময় পিছিয়েছে। আলু আমদানিতেও তৎপর রয়েছে মন্ত্রণালয়। আমদানি ও রপ্তানিকারকরা এগিয়ে আসলে তাদের সহযোগিতা করা হবে।”

বুধবার (১ নভেম্বর) সকালে রংপুর নগরীর মাহিগঞ্জে একটি হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

পেঁয়াজ আমদানি প্রসঙ্গে টিপু মুনশি বলেন, “ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে দর বেঁধে দিয়েছে। এরপর আমাদের ট্যাক্স আছে। এ কারণে ভারতীয় পেঁয়াজ দেশে পৌঁছে ১১০-১১৫ টাকা হয়ে যায়। এছাড়া দেশি পেঁয়াজের মজুত প্রায় শেষের দিকে। নতুন পেঁয়াজ না ওঠা পর্যন্ত আরও একমাস একটু কষ্ট করতে হবে।”

যেসব দেশে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র নিয়ে সমস্যা হচ্ছে- এ রকম তিন দেশের বাণিজ্য বন্ধ করতে যাচ্ছে বাইডেন সরকার। এমন শঙ্কা বাংলাদেশের রয়েছে কিনা- জানতে চাইলে তিনি টিপু মুনশি বলেন, “এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো খবর নেই। তবে আশা করি এ রকম সিদ্ধান্ত নেবে না আমেরিকা।”

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “পোশাকশিল্পে বিদেশিদের কোনো চক্রান্ত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে দুই পক্ষের সঙ্গেই আলোচনা চলছে। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর মজুরি কাঠামো যাচাই করা হচ্ছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের শুরুতে তা কার্যকর করা হবে। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “দেশে অনেক সরকার ক্ষমতায় বসলেও শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ সরকার পোশাক শ্রমিকদের নিয়ে ভেবেছে। ২,৫০০ টাকার বেতন নিয়ে গেছে ৮ থেকে ১০ হাজারে। এবারো সম্মানজনক বেতন বৃদ্ধি হবে।”

প্রসঙ্গত, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনমনে নাভিশ্বাস উঠেছে। দেশে গত কয়েক মাস ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেশের নির্দিষ্ট আয়ের মানুষদের ভোগান্তিতে ফেলেছে।

এ বছরের সেপ্টেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১২.৩৭%; এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় তিন শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি। খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৭.৮২%।

বিশ্বব্যাংকের মতে, মূল্যস্ফীতি ভোক্তাদের ক্রয় ক্ষমতা কমিয়েছে। ক্রেতারা ব্যক্তিগত খরচ আনুমানিক ৭.৫% থেকে ৩.৫% এ কমাতে বাধ্য হচ্ছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মূল্যস্ফীতির ফলে যাদের সুযোগ আছে তারা অতিরিক্ত খরচ মেটাতে অতিরিক্ত কাজ করছেন। কিন্তু যাদের কাজ করার সুযোগ নেই, তারা খাদ্য ও অন্যান্য জিনিসের ব্যবহার কমিয়ে দিচ্ছেন।

About

Popular Links