প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের পর তৈরি পোশাক শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ১২,৫০০ টাকা নির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান।
একই সঙ্গে বিক্ষোভরত শ্রমিকদের নিজ নিজ কারখানায় পুনরায় যোগদানের আহ্বান জানান তিনি।
নতুন মজুরির ৬৩% হবে মূল বেতন। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নতুন ন্যূনতম মজুরি কার্যকর হবে। যা পাওয়া যাবে জানুয়ারি থেকে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই আমরা এটা ঘোষণা করছি। ন্যূনতম মজুরি ৫৬.২৫% বাড়বে। আট হাজার টাকা থেকে ১২,৫০০ হাজার টাকা হবে। সঙ্গে বছরে ৫% ইনক্রিমেন্ট থাকবে।
এর আগে, আরএমজি কারখানা মালিকরা ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের ষষ্ঠ বৈঠকে তাদের মজুরি আগের মাসে প্রতি মাসে ১০,৪০০ টাকা থেকে ১২,৫০০ টাকা করে।
তবে শ্রমিক প্রতিনিধিরা তাদের আগের দাবি ২০,৩৯৩ টাকায় অনড়।
তবে, উভয় পক্ষই বর্তমান বেতন কাঠামো থেকে ৬৩% মৌলিক মজুরি হিসাবে নির্ধারণ করতে সম্মত হয়েছে। বেতনের গ্রেড ৭ থেকে ৫-এ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, বেলা সাড়ে ১২টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মজুরি বোর্ডের সভাকক্ষে এ সংক্রান্ত আলোচনা শুরু হয়। এতে শ্রমিকদের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি ছিলেন সিরাজুল ইসলাম রনি। অন্যদিকে মালিকদের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি ছিলেন সিদ্দিকুর রহমান।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নিম্নতম মজুরি বোর্ডের সচিব রাইসা আফরোজ, নিরপেক্ষ সদস্য অধ্যাপক ড. মো: কামাল উদ্দীন এবং শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বকারী সদস্য ও জাতীয় শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহম্মদ।
গত দুই সপ্তাহ ধরেই শ্রমিকদের বেতন ২৫,০০০ টাকা করার দাবিতে আন্দোলন করছে মজুরি বৃদ্ধিতে গার্মেন্টস শ্রমিক আন্দোলন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, গার্মেন্টস শ্রমিক ও শিল্পরক্ষা জাতীয় মঞ্চ, গার্মেন্টস ওয়াকার্স এলায়েন্স, বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশন, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য মঞ্চ, জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন।



