বাংলাদেশে মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ২০১৭ সালের ২৮৩ ডলার থেকে ২০২৩ সালের জুনে বেড়েছে ৫৮০ ডলারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৬৪,৩৮০ টাকা (প্রতি ডলার ১১১ টাকা বিবেচনায়)।
মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ দেশের সামগ্রিক বৈদেশিক ঋণের অংশকে বোঝায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি খাতের ঋণ ও বেসরকারি খাতের ঋণসহ ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ৯৯ বিলিয়ন ডলারে (প্রায় ১,১০০,০০০ কোটি টাকা) পৌঁছেছে। যা ২০১৭ সালের জুনে ৪৫.২৩ বিলিয়ন ডলার এবং ২০০৯ সালের জুনে ২৩.৫ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়েছে।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অবশ্য ৩১ অক্টোবর বলেছেন, বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ প্রায় ৩৬৫ ডলার।
মন্ত্রী সংসদে বলেছিলেন, ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ৬২,৩১২.৭১ মিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জুনের শেষে মোট বৈদেশিক ঋণ ছিল ৯৮,৯৩৫.৪৭ মিলিয়ন ডলার। এরমধ্যে, পাবলিক সেক্টর ৭৬.৬৭ বিলিয়ন ডলার (৬৪.৫৭ বিলিয়ন ডলার সরাসরি সরকার ও বাকি বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ধার করা হয়েছিল)। বেসরকারি খাতে ঋণ ও স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক ঋণ রয়েছে ২২.২৫ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক ঋণ ২০২০ সালের জুনে ৬৫.২৭ বিলিয়ন ডলার থেকে ৫১% বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৩ সালের জুনে ৯৮.৯৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা তিন বছরে ৩৩.৬ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশি-বিদেশিসহ মোট সরকারি ঋণ ২০২৩ সালের জুন শেষে ১৬,১৭,৩১৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছিল, যেখানে ২০২২ সালের জুন মাসে ঋণ ছিল ১৩,৪৩,৭২৪ কোটি টাকা।
২০২১ সালের জুলাই মাসে, দেশে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ৮৪.৮০ টাকা, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফ্লোটিং রেট অনুমোদন করার পরে বেড়ে ১১১ টাকা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল নির্দেশিকা অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৮ নভেম্বর ১৯.৫ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।



