Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন ক্রেতারা, সান্তাহারে তরমুজের কেজি ৩০ টাকা

  • তবুও পিস হিসেবে বিক্রি করছেন না ব্যবসায়ীরা
  • বেশি দামের কারণে ১৫ দিনেও একটি তরমুজ কিনতে পারেননি অনেকে
আপডেট : ২৬ মার্চ ২০২৪, ১১:৫৬ পিএম

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে তরমুজের কেজি ৮০-৯০ টাকা থেকে নেমেছে ৩০-৪০ টাকায়। তবুও ক্রেতারা কিনছেন না এই মৌসুমি ফলটি। এতে উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, আগে মানুষ রমজান মাসে ইফতারে তরমুজ খেত। এবার দাম অতিরিক্ত বেশি হওয়ায় ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, ফলে পড়ে গেছে বাজারদর।

ফল ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর রমজানের শুরুর দিকে তাপমাত্রা বেশি থাকায় তরমুজের চাহিদা ছিল। এ কারণে মানভেদে প্রতি কেজি তরমুজ ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল। তখন দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় থাকত। কিন্তু সপ্তাহ না গড়াতেই তাপমাত্রা কমে আসে, পড়ে যায় তরমুজের চাহিদা। এতে প্রথম দফায় কেজি ৫০ টাকায় নেমে আসে। কমতে কমতে এখন মাত্র ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও ক্রেতা মিলছে না। এতে তারা (ব্যবসায়ী) ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

উপজেলার সান্তাহার রেলগেটের তরমুজ ব্যবসায়ী রাঙ্গা মিয়া বলেন, পটুয়াখালী থেকে ১০ ব্যবসায়ী নওগাঁয় তরমুজ আমদানি করেন। সেখানকার আড়ত থেকে তারা পাইকারি দরে কেনেন। এরপর রেলগেট এলাকায় খুচরা বিক্রি করা হয়। দাম কমার তিন দিন
আগে প্রতি মণ ২,৬০০ টাকা দরে কেনা হয়েছিল। 

বেশি লাভের আশায় তরমুজ মজুত করেছিলেন তারা।

এখন সেই তরমুজ প্রতি মণ ১,২০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। বিক্রি ও দাম কমে যাওয়ায় লোকসান গুণতে হচ্ছে। এখন যারা আড়ত থেকে তরমুজ কিনছেন তারাই লাভবান হচ্ছেন।

সান্তাহার রেলগেট এলাকার ফলের দোকানে তরমুজ কিনতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, শাহজাহান আলীরা জানান, পুষ্টি ও তুষ্টি বিবেচনায় রোজার প্রথম দিকে মৌসুমি এ ফলের ব্যাপক চাহিদা ছিল। কিন্তু বেশি দামের কারণে গত ১৫ দিনে এক কেজিও কেনা হয়নি। দাম কমে গেছে শুনে তরমুজ কিনতে এসেছেন। 

তবে এখনও ব্যবসায়ীরা পিস নয়; কেজি দরেই বিক্রি করছেন ফলটি।

সান্তাহার ফল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সাগর খান বলেন, রমজানের শুরুতে তরমুজের দাম প্রতি কেজি ৮০-৯০ টাকা ছিল। বর্তমানে আড়তে আমদানি বেশি ও বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ায় গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

দাম কম হওয়া প্রসঙ্গে ওই ফল ব্যবসায়ী আরও বলেন, এবার রোজার শুরুতে দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় ভোক্তারা তরমুজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। ফলে বাজারে ধস নামে। এখন মূল্য প্রায় তিনগুণ কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

   

About

Popular Links

x