সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি বাস্তবায়নে আরও ৭টি ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ।
এ নিয়ে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি বাস্তবায়নকারী সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়াল ১১।
বুধবার (৩ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো।
নতুন যে সাত ব্যাংকের সঙ্গে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সমঝোতা স্মারক হয়েছে সেগুলো হচ্ছে জনতা ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব), প্রাইম ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, ইস্টার্ণ ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল) ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি)।
সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার। এ সময় এসওইউ স্বাক্ষরকারী সাত ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারাসহ (সিইও) অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমওইউ হওয়ার সুবাদে নতুন সাত ব্যাংক সর্বজনীন পেনশনের সব কর্মসূচির নিবন্ধন কাজে সহায়তা করতে পারবে, সেই সঙ্গে চাঁদাও নিতে পারবে। ব্যাংকগুলোর শাখা ব্যবস্থাপকেরা এ কাজে সহায়তা করবেন। ব্যাংকের নির্ধারিত অ্যাপ ব্যবহার করেও গ্রাহকেরা নিবন্ধনের পাশাপাশি অনলাইনে চাঁদাও জমা দিতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ব্যাংকগুলোর সব শাখা পেনশন কর্তৃপক্ষের ফ্রন্ট অফিস হিসেবে কাজ করবে। সর্বজনীন পেনশনের প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা—এই চার কর্মসূচিতে বর্তমানে মোট নিবন্ধনকারীর সংখ্যা সাড়ে ৩ লাখের বেশি এবং মোট জমা টাকার পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকা।
এর আগে আর চারটি ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি করেছিল জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের। সেগুলো হলো- সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক। এ হিসাবে এখন সরকারি-বেসরকারি ১১টি ব্যাংক সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ করবে।
উল্লেখ্য, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাষ্ট্রায়ত্ত, স্বায়ত্তশাসিত ৪০৩টি সংস্থার নতুন কর্মীদের জন্য ১ জুলাই থেকে প্রত্যয় নামের কর্মসূচি চালু করেছে পেনশন কর্তৃপক্ষ। যদিও এটা বাতিলের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখন আন্দোলন চলছে।



