Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: নির্বাচিত প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশন চলছে

তবে চূড়ান্ত পদায়ন করা হবে প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণকেন্দ্র (পিটিআই) প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর   

আপডেট : ১৭ মে ২০২৬, ০২:২২ পিএম

দীর্ঘ দুই মাস স্থবির থাকার পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৪,৩৮৪ প্রার্থীর পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজ শুরু হয়েছে। 

তবে এবার নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। নির্বাচিত প্রার্থীদের চূড়ান্ত পদায়ন করা হবে প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণকেন্দ্র (পিটিআই) প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর।  

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী এ প্রসঙ্গে জানান, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়াটি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে জেলা পর্যায়ে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজ চলছে। এরপর পিটিআই প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষকদের নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে।  

মাঠপর্যায়ের তথ্যসূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, ফরিদপুরসহ দেশের প্রায় সব জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকেই নির্বাচিত প্রার্থীদের ফাইল পুলিশ সুপারের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা পাওয়ার পর দেশের প্রায় সব জেলায় এই কার্যক্রম এখন চলমান।   

এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাদত হোসেন সুমা বলেন, “জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে আমরা প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়েছি। জেলার পাঁচটি উপজেলায় পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পুলিশ বিভাগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এই তদন্তকাজ পরিচালনা করছে।”

দ্রুততম সময়ে সব ফাইল পুলিশ প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অতীত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী এই তদন্তপ্রক্রিয়া ১০-১৫ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে বলে জানান ফরিদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহিউদ্দীন।   

এর আগে ৩ মে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের প্রথম দিনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন প্রার্থীদের নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আটকে থাকা ১৪,০০০ এর বেশি প্রার্থীকে শিগগিরই নিয়োগ দেওয়া হবে। কাউকেই বাদ দেওয়া হবে না। তবে নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত থাকবে।”

উল্লেখ্য, নিয়োগের দাবিতে গত ১৯ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে সংবাদ সম্মেলন এবং ৬১ জেলার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন সুপারিশপ্রাপ্তরা। প্রার্থীদের এই টানা আন্দোলনের মুখেই মূলত স্থবির হয়ে থাকা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গতি আসে।

   

About

Popular Links

x