প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ অসম্মতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
রবিবার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জানতে চান জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষক সংগীত পদটি সৃষ্টি করা হয়েছে; তার বর্তমান অবস্থা কী?”
লিখিত উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত বিষয়ের শিক্ষক পদটি সৃজনের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে অসম্মতি প্রদান করা হয়েছে।
গত কয়েকমাস ধরে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দল দাবি জানিয়ে আসছিল।
এর আগে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা চালুর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটির দাবি, ধর্মপ্রাণ মুসলিম অভিভাবকদের মতামত উপেক্ষা করে সংগীত শিক্ষা চালু করা হলে তা মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করবে।
গতবছর, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫ সালের ২৮ আগস্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫ এর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছিল।
ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলনের মুখে গত নভেম্বরে বিধিমালা সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার। তাতে শুধুমাত্র প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগের কথা উল্লেখ করা ছিল। সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ তখন বিধিমালা থেকে বাদ দেওয়া হয়।



