Tuesday, October 20, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

২০২৭ সাল থেকে সব সরকারি প্রাথমিকে চালু হবে ‘স্কুল ফিডিং কর্মসূচি’

সোমবার এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪০ পিএম

২০২৭ সাল থেকে দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দিনাজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি শিশুকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা এবং তাদের সঠিক শিক্ষা নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্য অর্জনে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। এর মাধ্যমে আমরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়ার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনব।”

তিনি বলেন, “স্কুল ফিডিং কর্মসূচির প্রকৃত সাফল্য শুধু খাবার বিতরণের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না। এর মাধ্যমে কতজন শিশু নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসছে, ঝরে পড়ার হার কতটা কমছে এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও শেখার আগ্রহ কতটা বাড়ছে—তার ওপরই এ কর্মসূচির সাফল্য নির্ভর করবে।”

এ কারণে কর্মসূচির প্রতিটি ধাপে বাস্তব ফলাফল যাচাই ও নিয়মিত মূল্যায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কাউকে দোষারোপ করার জন্য আমরা কাজ করছি না। কোথায় সমস্যা হচ্ছে, কেন হচ্ছে এবং কীভাবে দ্রুত সমাধান করা যায়, সেটি চিহ্নিত করাই আমাদের উদ্দেশ্য।”

মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সুপারিশকে গুরুত্ব দিয়ে কর্মসূচির দুর্বলতা দূর করে আরও কার্যকর করার আহ্বান জানান তিনি।

ববি হাজ্জাজ বলেন, “শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসবে, বিদ্যালয়ে থাকবে এবং শিখবে, এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে।”

শুধু বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানো নয়, উপস্থিত শিক্ষার্থীরা সত্যিকার অর্থে শিখছে কি না, সেটিও নিয়মিত যাচাই করতে হবে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ইসরাত জাহান, স্কুল ফিডিং প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল আমিন এবং পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা।

এ সময় দিনাজপুর জেলার প্রায় ৪৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

   

About

Popular Links

x