Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান, কুয়েট উপাচার্যের বাসভবনে তালা

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আমরা ভিসিকে নাকি নির্যাতন করেছি বলে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। তা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা’

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:১২ এএম

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থীরা সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন। পাশাপাশি তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রক্তাক্ত কুয়েট চিত্র প্রদর্শনী শেষে এ ঘোষণা দেন তারা। পরে মিছিল নিয়ে ভিসির বাসভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন।

কুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঘোষণায় বলেন, “আমাদের মূলত দাবি ছিল ৬টি। এই দাবির মধ্যে সিন্ডিকেট সভা কিছু দাবি কৌশলে এড়িয়ে গেছে। যার সঙ্গে শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই একমত নয়। তাই দাবি না আদায় পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে।”

এদিকে, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে শিক্ষার্থীরা ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাছুদের বাসভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমরা ভিসিকে নাকি নির্যাতন করেছি বলে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। তা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা। আমরা যথেষ্ট সম্মানের সঙ্গে আচরণ করেছি। তার শরীরে একটি টোকা দিয়েছি এমন কোনো প্রমাণ বা ভিডিও কেউ দেখাতে পারবে না।”

মিছিল নিয়ে ভিসির বাসভবনে তালা দেন শিক্ষার্থীরা/ঢাকা ট্রিবিউন

তারা আরও বলেন, “ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের বিষয়টি ইতিপূর্বে সিন্ডিকেট মিটিংয়ে কঠোরভাবে পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু তা মেনে চলা হচ্ছে না। তাই এ বিষয়টি প্রশাসনিক অধ্যাদেশে গুরুত্বের সঙ্গে কার্যকর করতে হবে।”

উল্লেখ্য, কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি ঘিরে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অর্ধশত শিক্ষার্থী। তাদের অধিকাংশের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। আহতদের খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কুয়েট মেডিক্যাল সেন্টারসহ আশপাশের বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ৫ জনকে আটক করা হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ছাত্ররা সংবাদ সম্মেলন করে উপাচার্যের পদত্যাগসহ ৫ দফা দাবি জানায়। পাশাপাশি দাবি না মানায় ১৯ ফেব্রুয়ারি বেলা দেড়টার দিকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক ভবনগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

এদিকে ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টা থেকে কুয়েট উপাচার্যকে মেডিক্যাল সেন্টারে অবরুদ্ধ করা হয়। তিনি ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকাল সোয়া ৫টার দিকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পান। অবরুদ্ধ থাকা অবস্থাতেই তিনি ১৯ ফেব্রুয়ারির জরুরি সিন্ডিকেট সভায় অনলাইনে উপস্থিত থেকে সভাপতিত্ব করেন।

   

About

Popular Links

x