Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ক্র্যাক প্লাটুনের অপারেশন ‌‘সিক্স মাইনস’

১৯৭১ সালে ঢাকায় বেশিরভাগ বাস কন্ডাক্টর ছিল বিহারি। বাঙালিরা বাসে উঠলে জল্লাদখানায় নিয়ে নির্বিচারে হত্যা করা হতো। মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ঢাকা ট্রিবিউনে গবেষক রা'আদ রহমানের লেখা সিরিজের পঞ্চম পর্ব এটি

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২৩, ০৩:৪৬ পিএম

একাত্তরের মে মাস। সেক্টর-২ এর কমান্ডার মেজর খালেদ মোশাররফ আরবান গেরিলাদের প্রথম দলটিকে মেলাঘরের ট্রেনিং শেষে পাঠালেন ঠিক ঢাকার হৃৎপিণ্ডে। তাদের দেওয়া হলো “হিট অ্যান্ড রান” পদ্ধতিতে আচমকা গেরিলা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীকে পাল্টা ভয় দেখানোর দায়িত্ব।

অকুতোভয় গেরিলা দলটি সেই দায়িত্ব অভূতপূর্ব বীরত্ব ও দুর্ধর্ষ সাহসিকতায় পালন করেছিল। ফলে কিছুদিন পর থেকে আচমকা গেরিলা হামলার ভয়ে সন্ধ্যার পর পাকিস্তানিরা নিয়মিত টহলেও বের হতে চাইত না। 

এর মাঝে কিছু অপারেশন ছিল একেবারেই সাদামাটা এবং এতে কোনো ভারি অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহৃত হতো না। এম-কে ১৪ অর্থাৎ ছোট ধরনের মাইন, যেগুলোকে বলা হতো “প্লাস্টিক মাইন”, আর এম-কে ১৬ অর্থাৎ একটু বড় ধরনের মাইন। এই দুই ধরনের মাইনই সচরাচর ব্যবহৃত হতো এই ধরনের তাৎক্ষণিক অপারেশনগুলোতে। 

বুকভরা সাহস আর এই সামান্য অস্ত্র, গোলাবারুদকে সম্বল করেই দুর্ধর্ষ এই তরুণরা নরক নামিয়ে আনতেন পাকিস্তানপন্থী রাজাকার, বিহারি এবং পাকিস্তানি সেনা ও মিলিশিয়াদের ওপর।

আগস্টের এক সন্ধ্যায় এমনই শিকার ধরতে বেরিয়েছিলের কয়েকজন গেরিলা। ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি হচ্ছিল। রাস্তায় দুই-একটা প্রাইভেট কার, খানসেনাদের জিপ-লরি, টাউন সার্ভিস বাসের ছুটে চলা ছাড়া তেমন জনসমাগম নেই। 

নর্থ-সাউথ রোডের শিয়া জামাতখানার পাশে পার্ক করা একটা মাজদা গাড়ি থেকে কিছুটা তফাতে এসে দাঁড়াল একটা টয়োটা করোনা গাড়ি। সেখান থেকে বেরিয়ে এক ব্যক্তি মাজদার পাশে টায়ার ঘেঁষে নিঃশব্দে বসে পড়লেন। যেন প্রস্রাব করছেন। কিন্তু খুব ভালোভাবে খেয়াল করে দেখা গেল, তিনি মাজদার টায়ারের ভেতর দিকে কিছু একটা লাগিয়ে আবার খুব স্বাভাবিকভাবে উঠে করোনায় গিয়ে বসলেন। সাঁই করে বেরিয়ে গেল করোনা তোপখানা রোড ধরে হাইকোর্টের দিকে।

গাড়ির মধ্যে মোট চারজন লোক। স্টিয়ারিংয়ে সামাদ, বাকি তিনজন- উলফত, হাফিজ এবং বাপী। তারা নেমেছেন মাইন নিয়ে শিকার বধ করতে। মাজদাটা ছিল এক চিহ্নিত পাকিস্তানি দালালের। উলফত গাড়িটার নিচে মাইন লাগিয়ে এসেছেন কিছুক্ষণ আগে। আজ তারা নর্থ সাউথ রোড এলাকা থেকে মোহাম্মদপুর পর্যন্ত বিভিন্ন গাড়ির নিচে মাইন বসাবেন। তবে মোহাম্মদপুরে কাজ হবে সবার শেষে। 

হাইকোর্টের সামনে থেকে ময়মনসিংহ রোড ক্রসিংয়ের ট্রাফিক রাউণ্ড অ্যাবাউটের কাছে আসতেই দেখা গেল হাইকোর্ট প্রান্ত থেকে একটা দোতলা বাস এগিয়ে আসছে। সঙ্গে সঙ্গেই পরিকল্পনা। বাসটা স্ট্যান্ডে থামামাত্রই চাকার নিচে মাইন বসিয়ে দেওয়া হবে। গাড়ি থেকে নেমে গেলেন উলফত ও বাপী। হাতে এম কে ১৬। বাসভর্তি শুধুই অবাঙালি বিহারিরা। 

একাত্তরের ওই সময়টাতে বাসের ড্রাইভার, কন্ডাক্টরদের বেশিরভাগই ছিল অবাঙালি বিহারি। 

বাঙালিরা বাসে উঠলে কৌশলে মিরপুরের বিভিন্ন জল্লাদখানা অর্থাৎ বধ্যভূমিতে নিয়ে নির্বিচারে হত্যা করা হতো। তাই ভয়ে বাঙালিরা কেউ দিনের বেলায়ও বাসে চড়ত না, সন্ধ্যার পর অবশ্যই না। বাসে শুধু অবাঙালি বিহারীরাই চলাচল করত।

বাস থেকে যাত্রী নামল কয়েকজন। তারা দোতলা থেকে নামার কারণে কিছুক্ষণ সময়ও পাওয়া গেল। এই ফাঁকে যাত্রীদের মধ্যে মিশে গিয়ে সাবধানে উলফত ও বাপী বাসের চাকার নিচে মাইন বসিয়ে দিলেন। মাইন বসিয়ে দ্রুত গাড়িতে ফিরে বসতেই বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হলো। মাইনের চেয়েও শব্দ করে ফাটলো টায়ার। ছিটকে কাত হয়ে পড়ল বাস। 

টয়োটা করোনা তখন ছুটে চলেছে নিউমার্কেট অভিমুখে। গ্রিন রোডের মোড়ে পেট্রোল পাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল কয়েকটা মিলিটারি জিপ, পেট্রোল নিচ্ছিল পাম্প থেকে। করোনা থামিয়ে সায়েন্স ল্যাবরেটরির রাস্তায় বসানো হলো একটা এম কে ১৬ মাইন। এটি বসালেন হাফিজ (পরবর্তীতে শহীদ)। মাইন বসিয়ে দ্রুত গাড়িতে উঠে মোহাম্মদপুরের দিকে এগোতেই প্রচণ্ড বিস্ফোরণের আওয়াজ। 

গেরিলারা পরে খবর পেয়েছিলেন বিস্ফোরণের তোপে একটা মিলিটারি জিপ নাকি শূন্যে উঠে গিয়ে ডিগবাজি খেয়েছিল। ভেতরে থাকা জনাকয়েক খানসেনা ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল।

এবার মোহাম্মদপুর! রাস্তায় করোনা ঘুরছে কিন্তু যুৎসই শিকার মিলছে না। পারফেক্ট স্পটে গাড়ি মিলে গেলেও দেখা যায় তাতে সাধারণ মানুষ বসে আছে। সিভিলিয়ান ক্যাজুয়ালিটি এড়াতে গাড়িটা বাদ দেওয়া হয়। আবার সুবিধামতো গাড়ি পেয়ে যখন মাইন বসানো হবে, ঠিক সেই মুহূর্তে গাড়ি ছেড়ে দিয়েছে। আর উপায় না দেখে শেষপর্যন্ত অন্য এক পন্থা অবলম্বনের সিদ্ধান্ত হলো, কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ তাতে কাজ হলো মারাত্মক! 

ঠিক হলো উলফত দুইটা মাইন নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে যাবেন। শহিদ আসাদ গেটের (তৎকালীন আইয়ুব গেট) কাছে তিনি মিরপুরগামী বাসের অপেক্ষায় থাকবেন। বাস এলেই কৌশলে চাকার নিচে মাইন বসিয়ে চলে যাবেন রাস্তার ওধারে পেট্রোল পাম্পের কাছে। 

এদিকে টয়োটাটি মোহাম্মদপুরের ভেতর দিয়ে রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলের পাশ দিয়ে বের হয়ে চলে যাবে আইয়ুব গেটের দিকে। গাড়ি চলে আসার আগেই মাইন ফিট করা হয়ে গেলে মুহূর্তের মধ্যে সোজা উলফৎকে তুলে নিয়ে পালিয়ে যাবে টয়োটা করোনা। আর যদি তখনো মাইন লাগানো না হয়, তবে টয়োটাটি প্রথমে রাস্তার পূর্বধারে পাম্পে পেট্রোল কিনতে যাবে এবং অন্য কোনো অজুহাতে উলফতের অপেক্ষায় থাকবে।

পরিকল্পনা মতোই উলফত নেমে গেলেন, করোনার আরোহীরা পাশেই এক পানের দোকান থেকে পান-বিড়ি কেনার অপেক্ষায় কালক্ষেপণ করতে থাকলেন। 

সবার চোখ নিউমার্কেটের থেকে আসা রাস্তা ও যানবাহনের দিকে। ঠিক মিনিটখানেক পরে দেখা গেল একটা বাস আসছে। সঙ্গে সঙ্গে পরিকল্পনামতো করোনা ছুটে চলল রেসিডেনশিয়াল মডেল স্কুল ঘুরে আসার জন্য, কিন্তু স্কুলের পাশ দিয়ে বড় রাস্তায় উঠতে গিয়েই দেখা গেল সমূহ বিপদ।

মিরপুর রোড দিয়ে সার বেঁধে যাচ্ছে একটা মিলিটারি কনভয়। সামনে বড় বড় দুটো লরিতে আছে খানসেনা আর রসদ, এই গাড়ি দুটোর পেছনে আছে মর্টার বসানো দুটো মিলিটারি জিপ। তারও পেছনে আরো একটা গাড়ি, দেখতে অনেকটা টেলিভিশনের ভিটিআর ভ্যানের মতো। তার পেছনে আবার মর্টার বসানো জিপ, তার পেছনে মিলিটারি লরি। 

কোনো একটা অপারেশনের পর হয়তো গাড়িগুলো ফিরে যাচ্ছে ক্যান্টনমেন্টে। অথবা ছাউনি স্থানান্তর করছে। টয়োটা করোনার নাকের ডগা দিয়ে কনভয়টা বেরিয়ে যাচ্ছে, আর উত্তেজনা ও ভয়ে ধড়াস ধড়াস করে বাড়ি মারছে গেরিলাদের বুক।

কারণ উলফত এতোক্ষণে মাইন লাগিয়ে ফেলেছেন কি-না সেটা তারা জানেন না, কনভয় যাওয়ার এই সময়েই মাইন ফাটলে সাথে সাথে অ্যালার্ট পজিশনে চলে যাবে তারা। আর নির্ঘাত উলফত ধরা পড়ে যাবেন। গুলি করে ঝাঁজরা করে দেবে ওরা উলফতকে অথবা আরো খারাপ যেটা ঘটতে পারে তা হচ্ছে তাকে আটক করে নিয়ে যাবে টর্চার সেলে ইন্টেরোগেশনের জন্য। 

কিন্তু এখনো তো মাইনের শব্দ শোনা গেল না? উলফত কি তাহলে মাইন বসাতে পারেননি? নাকি বসাতে গিয়েই ধরা পড়লেন? কী করছেন তিনি?

সামাদ বললেন, এতো ভেবে লাভ নাই। আমরা বরং আর্মির গাড়ি ওভারটেক করে বেরিয়ে যাই, আইয়ুব গেটে গিয়ে উলফতকে তুলে নেব চট করে। কথাটা বলতে বলতেই টয়োটা উঠে পড়েছে মিরপুর রোডে, কনভয়ের চার নম্বর জিপের ঠিক পাশ দিয়ে বাঁক নিয়ে পাশাপাশি চলতে লাগল টয়োটা, এরপরে ওভারটেক করল। 

আইয়ুব গেটের কাছে এসে দেখা গেল নতুন সমস্যা। পেট্রোল নিতে আর্মি কনভয়ের গাড়ি এসে থামল উল্টোদিকে পেট্রোল পাম্পের সামনে। এদিকে উলফত এর মধ্যেই একটা মিরপুরগামী দোতলা বাসের নিচে সবার চোখে ধুলো দিয়ে মাইন বসিয়ে ফেলেছেন। 

এপাশের স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ছিল একটা নিউমার্কেটগামী টাউন সার্ভিস বাস। 

দোতলা বাসের নিচে মাইন বসিয়েই সোজা গাড়ির কাছে ফিরে আসার কথা ছিল উলফতের, কিন্তু তার বদলে তাকে দেখা গেল নাক বরাবর রাস্তা ক্রস করে নির্বিকারচিত্তে কিন্তু দ্রুতপায়ে এগিয়ে যাচ্ছে টাউন সার্ভিস বাসের দিকে, যেন সে ব্যস্ত পথচারী, কোনভাবেই বাসটা মিস করতে চায় না।

এদিকে উলফতকে তুলে নিতে টয়োটা করোনা তখন সামনেই চলে এসেছে। কিন্তু তিনি গাড়িতে না উঠে ইঙ্গিতে সামাদকে অপেক্ষা করতে বলে চলে গেলেন টাউন সার্ভিস গাড়ির পেছনে। টয়োটা দাঁড়িয়ে পড়ল পেট্রোল পাম্পের সামনে মিলিটারি লরির পাশে। কিছুটা দুশ্চিন্তা নিয়ে অপেক্ষমাণ। 

সবাই উলফতের পিন্ডি চটকাচ্ছে কেন সে এই বাড়তি ঝুঁকিটা নিল, মিলিটারি কনভয়ের সামনে যখন, চলে এলেই পারত। আইয়ুব গেইটে কনভয় এসে থামার পর মাত্র কিছু সময় পার হয়েছে, কিন্তু গেরিলাদের মনে হচ্ছে অনন্ত যুগ পেরিয়ে গেছে। 

এদিকে ডাবল ডেকারের অবাঙালি কন্ডাক্টর আঙুলের ডগার চুন জিভে লাগাতে লাগাতে এগিয়ে যাচ্ছে বাসের দিকে। শেষ হাঁক দিচ্ছে, “গরুর হাট, মিরপুর...” বলে! এখনই বাসে উঠে ড্রাইভারকে বলবে, “চলিয়ে, যা বড়া”! কিন্তু এদিকে উলফত তো টাউন সার্ভিসের চাকার নিচে এখনো মাইন বসাতে পারলেন না। 

এপাশে মিলিটারি কনভয় তখনো দণ্ডায়মান। ডবল ডেকারের কন্ডাক্টর পা দানিতে পা রাখতেই সচল হলো বাসের চাকা। 

সঙ্গে সঙ্গে প্রচন্ড আওয়াজ। কাত হয়ে ছিটকে পড়ল দোতলা বাস, আশেপাশের মানুষেরা তখনো স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বুঝতে পারেনি কী ঘটে গেল মাত্র! 

এই সুযোগটাই নিলের উলফত। এই ফাঁকে টাউন সার্ভিসের চাকার নিচে মাইন বসিয়ে দিলেন সবার অগোচরে। বসিয়েই এক দৌড়ে চলে এলেন টয়োটা করোনার কাছে, লাফ দিয়ে উঠে গেলেন গাড়িতে। ততক্ষণে সম্বিত ফিরেছে মানুষজনের। চিৎকার করে সবাই বলছে, “বোমবারি হো গেয়া, মুকুতলোক আ গেয়া!”

এই শুনেই টাউন সার্ভিসের ড্রাইভার পড়িমরি করে বাস নিয়ে পালাতে গেল। কিন্তু বাসের চাকা ঘুরতেই আবারো “ধড়াম”! মাইন আর টায়ার ফাটার শব্দ মিলিয়ে প্রচণ্ড আওয়াজে কানে তালা লেগে গেল!

এদিকে নরক নামিয়ে টয়োটা করোনা ততক্ষণে পগারপার! হেডলাইট নিভিয়ে শো শো করে এগিয়ে চলেছে শেরে বাংলা নগরের রাস্তা ধরে। আচমকা ছুটতে দেখে একটা পুলিশ পেট্রোল জিপ ধাওয়া করেছিল, কিন্তু নাগাল পায়নি।

গাড়িতে উঠে উলফত বললেন, “একটু দেরি হয়ে গেল। আপনারা চলে যাওয়ার পর দেখলাম একটা ডবল ডেকার আসছে। ভাবলাম ওটাকেই খতম করি। কাজ শেষের পর দেখি মিরপুরের দিক থেকে একটা টাউন সার্ভিসের বাসও এসে গেল, এক টোপে দুই শিকার পেয়ে গেলাম। আচ্ছা সামাদ ভাই, কনভয়ের মুছুয়ারা এখন কি করছে?”

আসলেই তো! নাকের ডগায় কয়েকটা বিচ্ছু এইভাবে নরক গুলজার করে পালিয়ে গেল, এটা দেখে খানসেনাদের প্রতিক্রিয়া কী ছিল? তাদের বুদ্ধিও বলিহারি, তারা আইয়ুব গেট আর তার চারপাশে থাকা সব বিহারিকে ধরে এনে বেদম মার দিল। কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেল। 

বিহারিরা কেবল অসহায় আহাজারি করে বলছিল, “আরে আরে! কেয়া কাররাহা তো তুমলোগ? হাম তো বিহারি হ্যায়!”

জবাবে খানসেনারা বলেছিল, “উসিলিয়ে তো গুলি নেহি মারা। আব চলো মেজর সাবকা পাস। মুকুত লোগ বহুত আজিব চিড়িয়া হোতা হ্যায়। ওয় লোগ ধোকা দেনে কে লিয়ে কাভি কাভি উর্দু ভি বোলতা হ্যায়!”


তথ্যসূত্র:

১. স্বাধীনতা সংগ্রামে ঢাকায় গেরিলা অপারেশন/ হেদায়েত হোসাইন মোরশেদ 

২.  ব্রেইভ অফ হার্ট/ হাবিবুল আলম বীর প্রতীক


রা'আদ রহমান, গবেষক ও কলাম লেখক

   

About

Popular Links

x