Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কল্যাণপুরে বিহারিরা সেদিন নির্বিচারে কচুকাটা করেছিল বাঙালিদের

  • পাকিস্তান সরকারের লাঠিয়াল-খ্যাত বিহারিদের দাপটে স্থানীয় বাঙালিরাও উর্দুতে কথা বলতে বাধ্য হতো
  • অনেক লাশ বিহারিরা তুলে নিয়ে গিয়েছিল শিয়ালবাড়ি বধ্যভূমিতে কেটে টুকরো করার জন্য
  • মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ঢাকা ট্রিবিউনে গবেষক রা’আদ রহমানের লেখা
আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০১:০৭ পিএম

১৯৭১ সালে ঢাকার সবচেয়ে দুর্গম এলাকাগুলোর একটা ছিল মিরপুর। পুরো মোহাম্মদপুর-মিরপুরজুড়ে তখন উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বসবাস করত অবাঙালি বিহারী জনগোষ্ঠী। দেশভাগের সময় থেকেই পূর্ব বাংলায় আসতে থাকা বিহার রাজ্যের উর্দুভাষীরা পশ্চিম পাকিস্তানিদের অব্যাহত শোষণ-নিপীড়ন আর নির্যাতন বহুগুণে বাড়িয়ে তোলে। পাকিস্তানি সামরিক জান্তা সরকারের লাঠিয়াল হিসেবে কাজ করা বিহারিদের দাপট এতোটাই ছিল যে, মিরপুর-মোহাম্মদপুরের প্রবেশপথ আসাদগেটের অংশ থেকেই বাঙালিরাও উর্দুতে কথা বলতে বাধ্য হতো।

তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয় নস্যাৎ করতে বিহারিদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র-গোলাবারুদ দিয়ে বাঙালিদের ওপর লেলিয়ে দেয় পাকিস্তানি সেনারা। একাত্তরের পুরো সময়টা মিরপুর পরিণত হয় এক বিশাল কসাইখানায়, যেখানে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস বর্বর পৈশাচিকতায় হত্যা করা হয়েছে হাজার পেরিয়ে লাখো বাঙালিকে।  
 
১৯৭১ সালের ২৮ এপ্রিল ছিল কল্যাণপুরবাসীর জন্য বিভীষিকাময় নারকীয়তা। মোহাম্মদপুর বয়েজ স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ফজলুর রহমান (জিন্নাহ) কল্যাণপুর মেইন রোডে তার বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। রাতের বেলা গোপনে আলো নিভিয়ে  স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সম্প্রচার শুনতেন তারা, আশেপাশের বাড়ির অনেকেই লুকিয়ে তাদের বাড়িতে আসতেন বেতারে চরমপত্র, জল্লাদের দরবার ও বিভিন্ন খবর শুনতে। ২৭ এপ্রিল রাতেও তারা রেডিওতে খবর শুনছিলেন। বাইরে কারফিউয়ের নিস্তব্ধতা ভেদ করে আচমকাই কল্যাণপুর ব্রিজের দিক থেকে গুলির শব্দ শুনতে পেলেন তারা, তখনও কল্পনা করতে পারেননি কী ভয়ঙ্কর বিভীষিকা আসছে!

পরদিন সকাল ৭টায় যখন জিন্নাহ তার বাবার সঙ্গে কল্যাণপুর বাস ডিপোর কাছে মিরপুর মেইন রোডের কাছে গেলেন, সেখানে তখন প্রচণ্ড ভিড়। কৌতূহলবশত ব্রিজে উঠে নিচে তাকালে দুই তরুণের লাশ চোখে পড়ে। পেছন দিকে হাতমোড়া বাঁধা, একজনের পরনে কমপ্লিট স্যুট আরেকজন প্যান্টশার্ট। দুজনের কারো বয়সই ২১-২২ বছরের বেশি হবে না। একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের সন্তান হিসেবে চিহ্নিত হলো। সেটা দেখে জিন্নাহ বাসায় ফেরার কিছুক্ষণের মধ্যেই তার বাবা অফিস থেকে ছুটতে ছুটতে ফিরে এলেন বাসায়।

ফাইল ছবি: মিরপুরের জল্লাদখানা বধ্যভূমি/ঢাকা ট্রিবিউনইপিআরটিসি (বর্তমান বিআরটিসি) কল্যাণপুর বাসডিপোর স্টোর ইনচার্জ ছিলেন বজলুল হক। অনেক বিহারিরা তখন বাসডিপোতে চাকরি করত, তাদের অনেকেই সমীহ করত বজলুলকে। তাদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, যেকোনো মুহূর্তে বিহারিরা কল্যাণপুর আক্রমণ করবে। 

২৫ মার্চ অপারেশন সার্চলাইট শুরুর পরেই মাকে খালার বাড়িতে নিরাপদ দূরত্বে পাঠিয়ে দিয়ে বাড়িতে স্রেফ দুই ভাই আর বাবা থাকতেন। আসন্ন বিপদের মাত্রা অনুমান করে বাবা বজলুল দুই ভাই জিন্নাহ মনজুকে বললেন, ‘‘আমরা বাইরে পালাব না, এখানেই থাকব। মরলে একসাথে মরব। পালালে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারি, কে কোথায় মরে পড়ে থাকব, শেয়াল কুকুরের খাদ্য হতে হবে। এর চেয়ে একসাথেই থাকি।’’ 

এমন সময় বাসার পেছনের জানালায় জিন্নাহ দেখলেন তার পাড়ার বড় ভাই বাবু রুদ্ধশ্বাসে পালাচ্ছেন। তিনি আবার ঘুরে এসে তার বন্ধু মনজুকে ডেকে বললেন, ‘‘তোরা দুই ভাই এখুনি পালিয়ে যা। বিহারীরা কল্যাণপুরের ভেতরে ঢুকে পড়েছে, বাঙালি সামনে পেলেই তাকে মেরে ফেলছে। ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে।’’ কথাটা বলেই আবার তিনি ছুটতে শুরু করলেন। বজলুল সাহেব পেছন থেকে ডেকেও তাকে থামাতে পারলেন না। দুই ভাইয়ের জীবন বাঁচানোর জন্য আকুতি প্রকাশ করা বাবু নিজের জীবনটা রক্ষা করতে পারেননি শেষপর্যন্ত, বিহারিরা তাকে নির্দয়ভাবে হত্যা করে, লাশটাও পাওয়া যায়নি।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চারপাশের রাস্তায় মানুষের ছুটোছুটি বাড়তে লাগল। জানালা-দরজা বন্ধ করে যদিও ঘরে ছিলেন তারা, কিন্তু চারপাশের বাড়িগুলো একে একে অজস্র মানুষে ভরে যেতে দেখে অমোঘ নিয়তির অপেক্ষাই করছিলেন তারা। সেটা চলেও এলো। বল্লম, তলোয়ার, গরু জবাইয়ের বড় ছুরি ও চাপাতিসহ মারাত্মক সব অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত বিহারিরা চতুর্দিক থেকে কলোনির ভেতরে ঢুকে একের পর এক বাড়িতে আগুন দিতে শুরু করল এবং যাকেই সামনে পেলো মেরে ফেলতে লাগল। 

দুই ভাইই বাবাকে বললেন, এভাবে বাড়িতে থাকলে আগুন ধরিয়ে দিলে পুড়ে মরব অথবা বিহারিরা জোরে লাথি দিলে দরজাও ভেঙে যাবে। এর চেয়ে চলেন কোনো পাকা বাড়িতে আশ্রয় নেই। পরিস্থিতি দেখে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো পাশেই থাকা অধ্যাপক মফিজুর রহমানের পাকা বাড়িতে আশ্রয় নেবে সবাই। 

উন্মত্ত বিহারিদের চোখ ফাঁকি দিয়ে অধ্যাপক মফিজুরের ৪৫ নম্বর “ক্ষণিকা” বাড়িতে এসে দেখা গেল দরজা জানালা সব বন্ধ। বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই ভেতরে কয়েক ডজন লোক আশ্রয় নিয়েছে। বারবার দরজা ধাক্কালেও প্রাণভয়ে কেউই দরজা খুলল না। নিরুপায় হয়ে বাড়ির নির্মাণাধীন দোতলায় আশ্রয় নিলেন তিনজন। বজলুল দুই সন্তানকে শুইয়ে দিয়ে সিমেন্টের ব্যাগ দিয়ে ঢেকে দিলেন তাদের, নিজেকেও ঢেকে ফেললেন। ততক্ষণে চারপাশে বিহারdদের হাতে নৃশংসভাবে খুন হতে থাকা মানুষগুলোর মরণচিৎকার এবং আহাজারিতে চারপাশের অগ্নিকুণ্ডলী রীতিমতো নারকীয় পরিস্থতি তৈরি করেছে। সিমেন্টের ব্যাগের নিচে জিন্নাহ-মনজু আর বজলুল সাহেব মাঝে মাঝে মাথা বের করে রাস্তায় উঁকি দিয়ে দেখার চেষ্টা করছিলেন, তাদের চোখ পড়ল বিহারিদের একের পর এক দল মাথায় লালপট্টি বেঁধে ধারালো চাপাতি আর বড় ছুরি হাতে হন্যে হয়ে বাঙালি খুঁজছে!

তাদের অনেকের হাতের অস্ত্র থেকে তাজা রক্ত ঝরছে। মাঝেমধ্যে চিৎকার ভেসে আসছিল, ‘‘উসকো পাকড়াও, উসকো কতল কারো’’। কিছু লোক আবার কেরোসিনের টিন হাতে দৌড়াচ্ছিল আর অবশিষ্ট ঘরগুলোতেও আগুন দিচ্ছিল। অধ্যাপক মফিজুরের ভবনের পাশেই দুটো টিনের ঘর ছিল, তাতে একপর্যায়ে আগুন ধরিয়ে দেয় বিহারিরা। আগুনের লেলিহান শিখায় রীতিমত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তারা। সৌভাগ্যক্রমে আক্রমণকারীরা মফিজ সাহেবের বাড়ির পাশ দিয়ে প্রতিবেশী এনামুলদের বাড়ির দিকে চলে যায়। 

তখনই বড় ভাই মনজু বলল, “চলেন বাবা এই সুযোগে আমরা এখান থেকে পালাই।”

বজলুল জানতে চাইলেন, “কিন্তু পালাবি কোথায়, সবখানেই তো আগুন দিচ্ছে এরা। এখানে পাকা বাড়ি, ছাদে লুকিয়ে আছি, বরং এখানেই নিরাপদ।” কিন্তু মনজু মৃত্যুভয়ে এতোটাই দিশেহারা হয়ে উঠেছিল যে বাবার কথায় কর্ণপাত করল না। বিল্ডিং-এর পেছনে কন্সট্রাকশনের বাঁধা বাঁশ বেয়ে দ্রুতগতিতে নেমে গেল। নেমেই সামনে পাওয়া এক লোককে জিজ্ঞেস করল, “ভাই, আশেপাশে কোনো বিহারি আছে?”

মৃত্যুভয়ে আতংকিত মনজু টের পায়নি যে সে যাকে বাঙালি ভেবে জিজ্ঞেস করেছে, তার পেছনে রাখা হাতে একটা ঝকঝকে চাপাতি, সে আসলে একজন বিহারি। দোতলা থেকে জিন্নাহ আর বজলুল সাহেব শ্বাসরুদ্ধ অবস্থায় তাকিয়ে আছেন নিচে, এখনই হয়ত তাদের প্রিয়জনের ধড় থেকে মাথা আলাদা করে দেবে এই নরপিশাচ। কিন্তু আশ্চর্য, কী মনে করে সেই বিহারি মনজুকে মারল না!

ধমক দিয়ে বলল, “ভাগো ইহাসে।” মনজু বিপদ টের পেয়ে রুদ্ধশ্বাসে মসজিদের দিকে দৌড় দিল। চোখের পলকে অদৃশ্য হয়ে গেল সে, কোন এক অজানা কারণে বিহারিরা আশেপাশের প্রায় সব বাড়িতে আগুন দিয়ে শত শত মানুষকে হত্যা করলেও ক্ষণিকায় হামলা চালায়নি। ফলে বিহারিরা অন্য রাস্তায় গেলে বজলুল সাহেব জিন্নাহকে নিয়ে নেমে এলেন। 

দুজনেই ছুটলেন কল্যাণপুর জামে মসজিদের দিকে। সৌভাগ্যক্রমে মসজিদের সামনে তারা পেয়ে গেলেন ছোটভাই অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে যাওয়া মনজুকে। সে বলল, “আমি এখানে আশ্রয় নিয়ে বেঁচেছি, দ্রুত আসেন। ভেতরে এক অবর্ণনীয় অবস্থা। শতশত মানুষ প্রচণ্ড আতঙ্কিত অবস্থায় প্রাণের ভয়ে আশ্রয় নিয়েছে এখানে, এক বিহইর নাপিত বাইরে দরজা বন্ধ করে দেয়ায় এবং ‘কেউ ভেতরে নেই’ এই কথা জল্লাদদের জানানোয় তারা আর মসজিদে খুঁজতে আসেনি।”

বিহারীরা চলে যাওয়ার পর বজলুল দুই ছেলেকে নিয়ে কল্যাণপুর বাস ডিপোর দিকে ছুটে চললেন। পথে তাদের সঙ্গী হলো অজস্র আহত মানুষ। কারও দেহ ধারালো অস্ত্রে ক্ষতবিক্ষত, কেউ বাঁচার আশায় লাফ দিয়েছে ছাদ থেকে, মৃতপ্রায় কাউকে কোলে করে বা ধরাধরি করে নিয়ে যাচ্ছে বাকিরা। পথের চারপাশে, ঝোপে, বাড়ির উঠানে সর্বত্র অজস্র মানুষের গলাকাটা ক্ষতবিক্ষত লাশ পড়ে আছে। 

কল্যাণপুর মেইন রোডে বর্তমান সজীব স্টুডিওর কাছে আজাদ ফ্রান্স স্টোর নামে একটা বড় মনিহারি দোকান চালাতো মোশাররফ হোসেন মশু ও তার বাবা। মশুর বাবা উদ্ভ্রান্তের মতন ছুটছিলেন, তাকে থামানো হলে তিনি জানালেন পাইকপাড়ায় তার মেয়ে জামাতা নেছার আহমেদ ভূঁইয়ার বাসায় তার ছেলে, মেয়ে ও জামাতা আছে। খোঁজ নিতে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি বেশিদূর যেতে পারেননি, পথেই বিহারিরা তাকে খুন করেছিল। তার ছেলে ও জামাই দুজনকেই তাদের বাসায় (বর্তমান ঠিকানা ৩৬, মধ্য পাইকপাড়া, ঢাকা ১২১৬) খুন করা হয়েছিল। 

মশুর বাবা ও ভূঁইয়া সাহেবের লাশ আর কখনোই পাওয়া যায়নি। অনেক লাশ বিহারিরা তুলে নিয়ে গিয়েছিল শিয়ালবাড়ি বধ্যভূমিতে কেটে টুকরো টুকরো করার জন্য, ধারণা করা হয় তাদের লাশটাও এভাবে তুলে নিয়ে গেছে। অন্যদিকে, বিহারিদের ভয়ংকর হত্যাযজ্ঞের কয়েকদিন পর স্বজনরা পাইকপাড়ার বাড়িতে এসে মশুর ক্ষতবিক্ষত লাশের অবশিষ্টাংশ খুঁজে পেয়েছিলেন। শেয়াল-কুকুর ততদিনে লাশের মাথা, পা ও বুকের বেশিরভাগ অংশ খেয়ে ফেলেছিল। 

কল্যাণপুর বাস ডিপোর স্টোর ইনচার্জ হওয়ায় বজলুল সাহেব খুব সহজেই বাসডিপোতে গিয়ে ড্রাইভারদের বলে একটা বাস বের করার ব্যবস্থা করলেন। অসংখ্য মানুষ তখন আপ্রাণ চেষ্টা করছিল ওই এলাকা ত্যাগ করার, তাদের সবাইকে তিনি বাসে তুললেন। ড্রাইভারকে বললেন, “সামনে যে আসে আসুক, থামানোর চেষ্টা করলেও কারো কথা বা ভয়েই বাস থামানো যাবে না।”

স্বজন হারানোর শোকে কাতর মানুষগুলোকে নিয়ে বাসটা রীতিমতো ঝড়ের বেগে বেরিয়ে গেল ডিপো থেকে। বিহারিদের অনেকেই ভয়ভীতি দেখিয়ে বাসের সামনে চলে এলো থামানোর জন্য, কিন্তু ড্রাইভারের দৃঢ়তায় আটকাতে পারল না। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অবস্থা ছিল সদ্য নিহত আহসান উল্লাহ চৌধুরীর স্ত্রী এবং তার সন্তানদের। তার স্ত্রীর পুরো শরীর আহসানউল্লাহ সাহেবের রক্তে ভেজা ছিল, চিৎকার করে কাঁদছিলেন তিনি, হতবিহব্বল দুই ছেলে ভয়ার্ত চোখে অসহায়ের মতো তাকিয়ে ছিল। 

জিন্নাহ তার সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “আহসানউল্লাহ চাচাকে ২৮ এপ্রিলের ৩-৪ দিন আগে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘চাচা সবাই ফ্যামিলি দেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে প্রাণ বাঁচাতে, আপনি এখনো ফ্যামিলি নিয়ে ঢাকায় আছেন কেন? আহসান উল্লাহ জবাব দিয়েছিলেন, ভাতিজা, আমি যাব না। আমি স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়িয়ে যাব। এখন বাংলাদেশের পতাকা দেখলেই মনে হয় সবুজের মাঝে লাল সূর্যটা বোধ হয় চাচার রক্তে রঞ্জিত।” 

তথ্যসূত্র: 
১. মোহাম্মদ ফজলুর রহমানের সাক্ষাৎকার- আলী আকবর টাবী
২. কল্যাণপুর গণহত্যা- আলী আকবর টাবী
৩. মিরপুরের দশ বধ্যভূমি- মিরাজ মিজু

About

Popular Links