Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

শীতে অলসতা কাটাবেন যেভাবে

শীতের সকালের ঘুম বেশিরভাগ মানুষকেই অলস বানিয়ে দেয়। এ সময় শারীরিক কসরতের ইচ্ছেও কমে যায়। বসে থাকার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়, এতে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে পারে

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৩:৫৮ পিএম

শীতের সকাল মানেই ধোয়া ওঠা গরম চা বা শীতকালীন পিঠা। আবার কখনো সকালে লেপ মুড়িয়ে ঘুম। আর এই ঘুম বেশিরভাগ মানুষকেই অলস বানিয়ে দেয়। এ সময় শারীরিক কসরতের ইচ্ছেও কমে যায়। বসে থাকার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়, এতে ওজন বাড়ার সম্ভবনা থাকে। ফলে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে পারে।

তাই অলসতা যেন শরীর ও মনে কোনোভাবেই জেঁকে না বসতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যদিও শীতকালীন অলসতা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যার মধ্যে সূর্যালোকের সংস্পর্শ কমে যাওয়ার ফলে সেরোটোনিনের মাত্রা কমে যায় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞদের।

চলুন জেনে নেওয়া যাক শীতের অলসতা মোকাবেলা ও স্বাস্থ্য ভালো রাখতে যা করবেন।

চা বা কফি পান

শীতের সকালে ঘুম ভাঙার পরপরই গরম গরম চা বা কফি পান করে নিলে শরীর কিছুটা চাঙ্গা হয়। এতে শরীরে কিছুটা এনার্জি আসে। চোখে ঘুমঘুম ভাবটা আর থাকে না। চা বা কফি সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।

ঘরের কাজ করা

শীতকালে শারীরিক ক্রিয়াকলাপের মাত্রা বজায় রাখতে বিভিন্ন ব্যায়াম, হোম ওয়ার্কআউট বা নাচের মতো শরীরচর্চা করা প্রয়োজন। এতে শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকবে। আবার অলসভাবও কমবে। এছাড়াও শীতের সকালে যে জড়তা কাজ করে তা নিমিষেই কাটাতে সাহায্য করে ব্যায়াম।

পর্যাপ্ত পানি পান করা

শীতে অনেকেই পর্যাপ্ত পানি পান করতে চায় না। ফলে শরীরে পানিশূন্যতার সমস্যা দেখা দেয়। সব সময় চেষ্টা করতে হবে শীতের সময় শরীর হাইড্রেট রাখা। এ সময় পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করা, পাশাপাশি ফলের রসসহ শীতের সবজির স্যুপ উষ্ণ ও সুস্থ থাকতে পারেন।

সূর্যের আলো গায়ে লাগানো

শীতকালে দিনের আলোতে বাইরে সময় কাটানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। এটি সেরোটোনিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, যা আপনার মেজাজ ও অ্যানার্জি বাড়াতে সাহায্য করে।

পর্যাপ্ত ঘুমানো

নিয়মিত ঘুমের সময়সূচী বজায় রাখুন। দৈনিক অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন। না হলে অলসতাসহ ও নানা রোগের ঝুঁকিও বাড়বে। শরীরের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে।

মানসিকভাবে সুস্থ থাকা

মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে এ সময় ধ্যান বা গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করা যেতে পারে। এতে মন শান্ত থাকবে, পাশাপাশি হতাশা, অলসতা ও মন খারাপও কমবে। মানসিকভাবে সুস্থ না থাকলে অলসতা ভর করে বসে।

   

About

Popular Links

x