বহুল আলোচিত মাহসা আমিনির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিবৃতি দিয়েছে ইরানের ফরেনসিক বিভাগ। শুক্রবার (৭ অক্টোবর) প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মাহসা আমিনি মারা গেছেন ব্রেইন হাইপোক্সিয়ায়।
ইরানে আলোচিত মাহসা আমিনি নির্যাতনে নয় বরং ‘ব্রেইন হাইপোক্সিয়ায়’ মারা গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির ফরেনসিক বিভাগ।
শুক্রবার (৭ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এ কথা জানায়। এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের কুর্দি শহর সাকেজের বাসিন্দা ২২ বছর বয়সী আমিনিকে ১৩ সেপ্টেম্বর হিজাব দিয়ে মাথা পুরোপুরি না ঢাকার “অপরাধে” তেহরান থেকে আটক করেছিল দেশটির নীতি পুলিশ। এর তিনদিন পরেই সে মারা যায়।
তার মৃত্যুর পর থেকে দেশটির পোশাকবিধির বিরোধিতা ও হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে ইরানে ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভ।
২১ দিন ধরে চলমান প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীদের জ্বালানো আগুনে অনেক নারী তাদের হিজাব পোড়াচ্ছেন, গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সামনে চুল খুলে নাচছেন, যা শাসকদের প্রতি প্রকাশ্য অবাধ্যতার সুনির্দিষ্ট চিত্র হাজির করছে। প্রতিদিনই বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বাড়ছে।
শুক্রবার ইরানের ফরেনসিক সংস্থা জানায়, মাহসা আমিনির মৃত্যু মাথা এবং শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ এবং অঙ্গে আঘাতের কারণে হয়নি।
বিবৃতিতে বলা হয়, আট বছর বয়সে মস্তিষ্কের টিউমারের অস্ত্রোপচারের জেরে আমিনির মৃত্যু হয়।
এদিকে ওই ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন আমিনির শোকাহত বাবা-মা।
ইরাকে বসবাসরত তার এক চাচাতো ভাই এএফপিকে বলেন, মাথায় আঘাতের কারণে ওই তরুণীর মৃত্যু হয়।



