খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) একাডেমিক অ্যাচিভমেন্ট অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (এএএসডিসি)-এর ক্রাফটিং একাডেমিক রাইটিং ফর সায়েন্টিফিক রিসার্চ শীর্ষক দিনব্যাপী ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারের ২০১ নম্বর কক্ষে ওয়ার্কশপের উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এএএসডিসি-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. ফারুক হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. খন্দকার মাহবুব হাসান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলাম, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ।
ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ বলেন, “গবেষণাভিত্তিক জ্ঞানচর্চা এবং মানসম্মত একাডেমিক লেখালেখি বর্তমান বিশ্বে উচ্চ শিক্ষা ও উদ্ভাবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।”
তিনি শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা প্রকাশনায় অংশগ্রহণের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, “প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল উন্নয়নের লক্ষ্যে এ ওয়ার্কশপের মাধ্যমে এএএসডিসি তার কার্যক্রম শুরু করলো। ভবিষ্যতে স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, টাইম ম্যানেজমেন্ট, সিভি রাইটিং, ভাইভা বোর্ডে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অংশগ্রহণ, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে কর্মশালা ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে।”
ওয়ার্কশপে রিসোর্স পারসন হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন কুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মোস্তফা জামান চৌধুরী।
এতে ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
দিনব্যাপী কর্মশালায় বৈজ্ঞানিক গবেষণার মৌলিক ধারণা, একাডেমিক লেখালেখির কৌশল, গবেষণা নৈতিকতা, তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স ব্যবস্থাপনা, গবেষণা প্রকাশনার বিভিন্ন দিক এবং হাতে-কলমে গবেষণাভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।



