মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পিরোজপুরে মাত্র ১২০ টাকায় পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি পেয়েছেন ১৫ জন প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে পিরোজপুর পুলিশ লাইনস ড্রিল শেডে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নাম এবং ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
টিআরসি নিয়োগ কার্যক্রমের সব ইভেন্টে কৃতকার্য প্রার্থীদের নাম এবং ফলাফল ঘোষণা করেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার ও টিআরসি নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি খান মুহাম্মদ আবু নাসের। এতে পুলিশ কনস্টেবল পদে ১৫ জন চাকরির সুযোগ পেয়েছেন।
এ সময় শতভাগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে স্বচ্ছতার মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে প্রাথমিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ায় উত্তীর্ণ প্রার্থী অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে তাৎক্ষণিক অনুভূতি ব্যক্ত করেন। কোনো ধরনের ঘুষ, সুপারিশ ও হয়রানি ছাড়াই ১২০ টাকায় চাকরি পেয়ে জেলা পুলিশ সুপারসহ নিয়োগ কমিটির সদস্যদের প্রতি তারা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
নিয়োগপ্রাপ্তদের ফুল দিয়ে ও মিষ্টিমুখ করিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় টাকা-পয়সা ছাড়া যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি হওয়ায় সবাইকে ধন্যবাদ জানানো হয়।
নিয়োগপ্রাপ্ত পিরোজপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. শিহাব উদ্দিন সিকদার বলেন, “চাকরির আশায় অনলাইনে আবেদন করি। এরপর জেলা পর্যায়ে এসে শারীরিক, লিখিত ও মৌখিক সব পরীক্ষায় অংশ নিই। সবগুলোতে উত্তীর্ণ হয়ে চাকরিও হয়ে গেল। কোনো প্রকার তদবির বা যোগাযোগ ছাড়াই এটা সম্ভব হয়েছে- এখনও স্বপ্ন মনে হচ্ছে।”
তার মা বলেন, “মাত্র ১২০ টাকায় আবেদন করে ছেলের চাকরি হয়েছে। ঘুষ বা তদবির কিছুই লাগেনি- আমরা খুব খুশি।”
পিরোজপুরের পুলিশ সুপার খান মুহাম্মদ আবু নাসের বলেন, “নিয়োগপ্রাপ্তরা শতভাগ স্বচ্ছতা, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়েছেন। এখানে কোনো ঘুষ, তদবির কিংবা স্বজনপ্রীতির স্থান হয়নি। এটি সম্পূর্ণরূপে দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়েছে।”
ফলাফল ঘোষণার সময় টিআরসি নিয়োগ বোর্ডের সদস্য এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), বরগুনা মো. আবদুল হালিম; অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরনদী সার্কেল), বরিশাল মোসা. শারমিন সুলতানা রাখীসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



