এই তুমুল ভোটের ডামাডোলে।
জান চলে যায় অন্তরালে।
অজানা সে আততায়ী।
দেহটা যায় মর্গে আগে
ভিড় থানা, পুলিশ, সাংবাদিকে।
জিন্দাকালে ছিল না এত কেউই।
কর্মী দাবি মৃতরে দুই দলের
মিছিল, মিটিং, প্রচার মেশিনকলের।
হিমঘরে যে বেজানশয্যাশায়ী।
হারালো কে, কার বুকেরই মাণিক?
খোঁজ রাখেনি ইস্যু পাওয়া বণিক।
ভুলে হয়তো যায়নি ঝরা পাতা।
তার শিয়রে ঘুমাতো যে শিশু,
ওর বাবা চাই আর বোঝে না কিছু।
বাবা ঘুমে সাদা কাপড় ঢাকা।
ভোটের ধুমে নিত্য লাশের চাওয়া।
মরণ ক্ষুধায় এ রাক্ষসের খাওয়া।
এমন প্রহর পেট্রোল স্রোতে আঁকা।
মরার চেয়ে মরে যাওয়ার ভীতি
জাপ্টে এখন জনপদের রীতি।
বছর পাঁচেক পরপর এই হয়।
ব্যালট পেপার কী পরিমাণ দামি!
ঠিক করে তা এ রাজ্যের রানি।
প্রাণ তো খেলার উপকরণ নয়।
কে বোঝাবে এমন সত্য কথা?
তবু সহ্য করে নীরবে জনতা।
আড়ালের প্রতিরোধ অনন্ত অক্ষয়।



